১২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে শ্রম ভবন ঘেরাও

গাজীপুরের স্টাইল ক্রাফট লিডিমটেড এবং ইয়াং ওয়ান্স (বিডি) লিডিটেড নামে দুটি কারখানার বেআইনিভাবে ১৩ (১) ধারা প্রত্যাহার ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের চুক্তি মোতাবেক বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবিতে শ্রম ভবন ঘেরাও করেছে প্রতিষ্ঠান দুটির শ্রমিক-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বিজয় নগরে অবস্থিত শ্রম ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছে শ্রমিকরা।

এসময় শ্রমিকদের ‘ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হলো, শ্রম ভবন ঘেরাও হলো’, ‘যাবো না রে যাবো না, ঘরে ফিরে যাবো না’ , ‘আমাদের সংগ্রাম চলছে চলবে… মালিক তুমি যেই হও, আমাদের দাবি মেনে নাও’, ‘বেআইনিভাবে কারখানা বন্ধ করা যাবে না’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

সাবিনা নামের একজন শ্রমিক গণমাধ্যমকে বলেন, গত ঈদের আগে থেকে আমাদের বেতন-বোনাস দিচ্ছে না। মালিক এখন কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তাই আমরা উপায় না পেয়ে এখানে এসেছি।

সোলেমান নামে আরেক শ্রমিক বলেন, দুটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার লোক কাজ করে। চার মাসের বেতন দেয়নি। দু’মাস ধরে কারখানা বন্ধ করে রেখেছে।

হিমেল নামে আরেকজন শ্রমিক বলেন, অনেকে ২০-২৫ বছর ধরে কাজ করেছে। এখন মালিক বলছে পাওনা না দিয়ে নতুনকরে জয়েন করতে।

তিনি আরও বলেন, মালিক বেতন দেয় না, গর্ভবতীদের ছুটির টাকা দেয় না। আমরা আমাদের পাওনার দাবিতে এখানে এসেছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে শ্রম ভবন ঘেরাও

প্রকাশিত : ০২:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

গাজীপুরের স্টাইল ক্রাফট লিডিমটেড এবং ইয়াং ওয়ান্স (বিডি) লিডিটেড নামে দুটি কারখানার বেআইনিভাবে ১৩ (১) ধারা প্রত্যাহার ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের চুক্তি মোতাবেক বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবিতে শ্রম ভবন ঘেরাও করেছে প্রতিষ্ঠান দুটির শ্রমিক-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বিজয় নগরে অবস্থিত শ্রম ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছে শ্রমিকরা।

এসময় শ্রমিকদের ‘ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হলো, শ্রম ভবন ঘেরাও হলো’, ‘যাবো না রে যাবো না, ঘরে ফিরে যাবো না’ , ‘আমাদের সংগ্রাম চলছে চলবে… মালিক তুমি যেই হও, আমাদের দাবি মেনে নাও’, ‘বেআইনিভাবে কারখানা বন্ধ করা যাবে না’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

সাবিনা নামের একজন শ্রমিক গণমাধ্যমকে বলেন, গত ঈদের আগে থেকে আমাদের বেতন-বোনাস দিচ্ছে না। মালিক এখন কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তাই আমরা উপায় না পেয়ে এখানে এসেছি।

সোলেমান নামে আরেক শ্রমিক বলেন, দুটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার লোক কাজ করে। চার মাসের বেতন দেয়নি। দু’মাস ধরে কারখানা বন্ধ করে রেখেছে।

হিমেল নামে আরেকজন শ্রমিক বলেন, অনেকে ২০-২৫ বছর ধরে কাজ করেছে। এখন মালিক বলছে পাওনা না দিয়ে নতুনকরে জয়েন করতে।

তিনি আরও বলেন, মালিক বেতন দেয় না, গর্ভবতীদের ছুটির টাকা দেয় না। আমরা আমাদের পাওনার দাবিতে এখানে এসেছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে