০২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

তিন দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল তাজ, দিলেন স্মারকলিপি

জেলহত্যা দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনসহ তিন দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেছেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান সোহেল তাজ। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি স্মারকলিপি দেন।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন তিনি।

সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে সোহেল তাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাতে তিন দফা দাবির স্মারকলিপি তুলে দিয়েছি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন; এই তিন দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন হবে।

এদিন জেলহত্যা দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন, ১০ এপ্রিলকে প্রজাতন্ত্র দিবস ঘোষণাসহ ৩ দফা দাবি আদায়ে মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে পদযাত্রা শুরু করেন সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। পরে গণভবনের সামনে গিয়ে বসে পড়েন সোহেল তাজ।

গ্রেপ্তার ছাড়া সেখান থেকে সরানো যাবে না এমন বক্তব্য দেন তিনি। পরে গণভবন থেকে বেরিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থানের বিষয়ে অনড় ছিলেন সোহেল তাজ।

এর আগে ১০ এপ্রিল পদযাত্রা করে একই দাবিতে গণভবনে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

তিন দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল তাজ, দিলেন স্মারকলিপি

প্রকাশিত : ০৪:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩

জেলহত্যা দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনসহ তিন দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেছেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান সোহেল তাজ। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি স্মারকলিপি দেন।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন তিনি।

সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে সোহেল তাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাতে তিন দফা দাবির স্মারকলিপি তুলে দিয়েছি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন; এই তিন দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন হবে।

এদিন জেলহত্যা দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন, ১০ এপ্রিলকে প্রজাতন্ত্র দিবস ঘোষণাসহ ৩ দফা দাবি আদায়ে মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে পদযাত্রা শুরু করেন সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। পরে গণভবনের সামনে গিয়ে বসে পড়েন সোহেল তাজ।

গ্রেপ্তার ছাড়া সেখান থেকে সরানো যাবে না এমন বক্তব্য দেন তিনি। পরে গণভবন থেকে বেরিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থানের বিষয়ে অনড় ছিলেন সোহেল তাজ।

এর আগে ১০ এপ্রিল পদযাত্রা করে একই দাবিতে গণভবনে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে