সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলামের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর মন্ত্রণালয় ও এলজিইডি থেকে তদন্ত করে দুর্নীতির প্রমাণ পায় ।
অবশেষে গতকাল বুধবার ( ১৫ নভেম্বর) নির্বাহী প্রকৌশলীকে পাবনা আঞ্চলিক অফিস বদলি করা হয়েছে।
জানা যায়, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলী আক্তারের স্বাক্ষরিত আর্দেশের ৪৬.০২.০০০০.০০১.৯৯.১৩০.১৮- ১১৯৫১ নং স্মারকে সফিকুল ইসলামকে পাবনা আঞ্চলিক অফিসে বদলি করা হয়েছে এবং ৪৬.০২.০০০০.০০১.৯৯.১৩০.১৮- ১১৯৫২ নং স্মারকে পাবনা আঞ্চলিক অফিস থেকে মনিরুল ইসলামকে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে সিরাজগঞ্জে বদলি করা হয়েছে।
এবিষয়ে সিরাজগঞ্জের সদ্য নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম জানান, প্রধান প্রকৌশলী অফিস থেকে আমাকে সিরাজগঞ্জে বদলি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, সফিকুল ইসলামের অদক্ষতায় ২৭ কোটি টাকা উন্নয়ন বঞ্চিত হয় সিরাজগঞ্জবাসী। এছাড়া খাল খননে মৃত ব্যক্তির নামে স্বাক্ষর ও ভুয়া মাষ্টার রোল বানিয়ে কয়েক কোটি টাকা উত্তোলন এবং জেলার একাধিক রাস্তায় নিম্ন মানের কাজ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন ছাড়াই কোটি কোটি টাকার বিল প্রদানে অনিয়ম করে নির্বাহী প্রকৌশলী।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর খাল খননে মৃত ব্যক্তির নামে টাকা উত্তোলনে নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশ পায় তদন্ত কমিটি এছাড়া গত ১৭ জুলাই দুদক আঞ্চলিক পাবনা অফিসও সরজমিনে তদন্তে অনিয়ম পায়। যা দুদকের মামলা অনুমোদন জন্য প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্তে ২৫ সেপ্টেম্বর তাড়াশ বারুহাস ও তাড়াশ কুন্দাইল রাস্তায় ১২ কোটি টাকার কাজের তদন্তে অনিয়মে নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশ প্রমাণ পায় তদন্ত কর্মকর্তারা।




















