১১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

‘আমাকে জেলে পাঠাক আর যেখানেই পাঠাক গাঁজা আমার লাগবেই’

মাদারীপুরের রাজৈরে মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে ধরিয়ে দিলেন মা। ঘটনাটি ঘটেছে ১৮ ডিসেম্বর সোমবার দুপুর ১২ টার সময়। রাজৈর থানার ইশিবপুর ইউনিয়নের উত্তর আড়াইপাড়া গ্রামের ফকির বাড়ির লোকমান ফকিরের ছেলে তুহিন ফকির (৩৫) পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। দীর্ঘ দিন যাবৎ সে গাঁজা সেবন করে আসছিল। বাবা মা অনেক চেষ্টা করেও তাকে ঐ লাইন থেকে সরিয়ে আনতে পারেন নি। একে একে পাঁচটি বিয়ে করেও তাহার এহেন অভ্যাস পরিবর্তন না হওয়ার কারনে সংসার করতে পারে নি।
ঠিক মত কোন কাজকর্ম করতে চায় না। একদিন ইজিবাইক চালালে আবার পাঁচ দিন ঘরে বসে থাকে। স্ত্রী ও বাবা মায়ের প্রতি সে প্রতি নিয়তই শারিরীক ও মানসিক নির্জাতন করতেন বলে জানা যায়। যে কারনে তার স্ত্রীরা তাকে ছেড়ে চলে গেছে। শুধু নিজে গাঁজা সেবনই করে না মাঝে মধ্যে গাঁজা বিক্রয় করে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে সে আরো দুই বার একই কারনে সাজা ভোগ করেছে বলে এলাকাবাসী জানান।
ইদানিং তুহিন ফকিরের মাদকাসক্ত কর্মকান্ডের ফলে এলাকাবাসী ও তার পরিবার অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। অন্য কোন পন্থা না পেয়ে তার মা ১৮ ডিসেম্বর সকালে রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলে তার নির্দেশ মোতাবেক রাজৈর থানার এস,আই মিজান তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গাঁজা সহ তাকে গ্রেপ্তার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে (তুহিন ফকির) ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। প্রতিদিনের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে তুহিন ফকির বলেন আমি দীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ গাঁজা সেবন করতেছি। এখন গাঁজা না খেলে আমি কোন কাজকর্ম করিতে পারি না। তাই আমি কোন দিন গাঁজা ছাড়তে পারবো না। আমাকে জেলে পাঠাক আর যেখানেই পাঠাক গাঁজা আমার লাগবেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

‘আমাকে জেলে পাঠাক আর যেখানেই পাঠাক গাঁজা আমার লাগবেই’

প্রকাশিত : ০৫:৫২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩

মাদারীপুরের রাজৈরে মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে ধরিয়ে দিলেন মা। ঘটনাটি ঘটেছে ১৮ ডিসেম্বর সোমবার দুপুর ১২ টার সময়। রাজৈর থানার ইশিবপুর ইউনিয়নের উত্তর আড়াইপাড়া গ্রামের ফকির বাড়ির লোকমান ফকিরের ছেলে তুহিন ফকির (৩৫) পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। দীর্ঘ দিন যাবৎ সে গাঁজা সেবন করে আসছিল। বাবা মা অনেক চেষ্টা করেও তাকে ঐ লাইন থেকে সরিয়ে আনতে পারেন নি। একে একে পাঁচটি বিয়ে করেও তাহার এহেন অভ্যাস পরিবর্তন না হওয়ার কারনে সংসার করতে পারে নি।
ঠিক মত কোন কাজকর্ম করতে চায় না। একদিন ইজিবাইক চালালে আবার পাঁচ দিন ঘরে বসে থাকে। স্ত্রী ও বাবা মায়ের প্রতি সে প্রতি নিয়তই শারিরীক ও মানসিক নির্জাতন করতেন বলে জানা যায়। যে কারনে তার স্ত্রীরা তাকে ছেড়ে চলে গেছে। শুধু নিজে গাঁজা সেবনই করে না মাঝে মধ্যে গাঁজা বিক্রয় করে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে সে আরো দুই বার একই কারনে সাজা ভোগ করেছে বলে এলাকাবাসী জানান।
ইদানিং তুহিন ফকিরের মাদকাসক্ত কর্মকান্ডের ফলে এলাকাবাসী ও তার পরিবার অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। অন্য কোন পন্থা না পেয়ে তার মা ১৮ ডিসেম্বর সকালে রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলে তার নির্দেশ মোতাবেক রাজৈর থানার এস,আই মিজান তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গাঁজা সহ তাকে গ্রেপ্তার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে (তুহিন ফকির) ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। প্রতিদিনের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে তুহিন ফকির বলেন আমি দীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ গাঁজা সেবন করতেছি। এখন গাঁজা না খেলে আমি কোন কাজকর্ম করিতে পারি না। তাই আমি কোন দিন গাঁজা ছাড়তে পারবো না। আমাকে জেলে পাঠাক আর যেখানেই পাঠাক গাঁজা আমার লাগবেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh