টাঙ্গাইলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের অতর্কিত গোলাগুলিতে তিন জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানীর উপপরিচালক মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, সদর উপজেলার যুগনি গ্রামের মৃত সাইফুল ইসলামের ছেলে ফারুক হোসেন (৪০) ও মৃত বারেকের ছেলে কামরুল (৩৪)। গ্রেপ্তারকৃত ফারুক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কামরুল ইউনিয়নের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ ও স্থানীরা জানায়, সদর উপেজলার বাঘিল ইউনিয়নের যুগনী এলাকায় আওয়ামী লীগের মিছিলে সন্ত্রাসীরা গুলি করে। এতে বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, কর্মী এমদাদুল হক ও সিয়াম গুলিবিদ্ধ হয়। এদের মধ্যে রোকনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সোমবার বিকেলে টাঙ্গাইল সদর থানায় আহত রোকনের বাবা ফজলুল রহমান মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ফারুক উক্ত ঘটনার পর সে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আত্মগোপনে চলে যায়।
র্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানীর উপপরিচালক মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম জানান, সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় থেকে ফারুক ও কামরুলকে গ্রেফতার করা হয়। সে ইতিপূর্বে অস্ত্র সংক্রান্ত মামলায় কারাভোগ করেছে। গ্রেফতারকৃত কামরুল ফারুকের অন্যতম সহযোগী। উক্ত ঘটনার পর সে ফারুকের সাথে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আত্মগোপনে থাকে। সে ইতিপূর্বে নারী নির্যাতন সংক্রান্ত মামলায় কারাভোগ করেছে বলে জানা যায়। তাদের সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন বলেন, আসামীদের বুধবার রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।




















