১০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

পাঁচ বছর পর কি মন্ত্রীত্বের স্বাদ পাবে কিশোরগঞ্জবাসী

  • এ এম উবায়েদ
  • প্রকাশিত : ০৫:০৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪
  • 66

গত রবিবার (০৭) জানুয়ারী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। দশম সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-০১ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে আওয়ামী-লীগ সরকারের জনপ্রশাসনমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। আওয়ামী লীগের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করে এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার আগেই মৃত্য্রুণ করেন। শোলাকিয়ায় লাখো মানুষ যখন সৈয়দ আশরাফকে বিদায় জানায়, সেদিনই কিশোরগঞ্জের মানুষ শুনেছিল এ জেলায় আর মন্ত্রী না থাকার সংবাদ। স্বাধীনতার ৪৭ বছরে একাদশ সংসদে প্রথম মন্ত্রিপরিষদে ছিল না কিশোরগঞ্জ জেলার কেউ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহত্তর ফরিদপুরের গোপালগঞ্জের পর আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় দুর্গ নামে পরিচিত কিশোরগঞ্জ। মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে প্রতিটি সরকারেই কিশোরগঞ্জ থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কেউ না কেউ ছিলেন। কিশোরগঞ্জে মন্ত্রিত্বের স্বর্ণযুগ শুরু শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের হাত ধরে। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া সৈয়দ নজরুল ইসলাম ১৯৭২ সালের ১২ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হলে শিল্প মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই শুরুর পর মন্ত্রীত্বের দরজা আর কখনো বন্ধ হয়নি কিশোরগঞ্জের জন্য।
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী হয়েছিলেন মনোরঞ্জন ধর। ১৯৭৩-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পাটমন্ত্রী ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ আসাদুজ্জামান খান। ১৯৭৯ সালে বিএনপির শাসনামলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ আবু আহমদ ফজলুল করিম। ১৯৮৬ সালে এরশাদের শাসনামলে ভূমি উপমন্ত্রী হন মুজিবুল হক। তিনি কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে জাতীয় পার্টির সাংসদ ছিলেন। ওই সময় আইনমন্ত্রী ছিলেন এই জেলার হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত অর্থমন্ত্রী ছিলেন এই জেলার মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে কিশোরগঞ্জ আসনের বিএনপির সাংসদ এ বি এম জাহিদুল হক নৌপরিবহন উপমন্ত্রী হন।
১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। তখন কিশোরগঞ্জ-৬ আসন থেকে জয় পাওয়া জিল্লুর রহমানকে করা হয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী। সৈয়দ আশরাফ পান বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। ২০০১ সালে বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসে। ওই সময় কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ ওসমান ফারুককে করা হয় শিক্ষামন্ত্রী। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসে। তখন সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের পাশাপাশি পান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। মহজোটের শরিক হিসেবে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের মুজিবুল হককে করা হয় যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসলে সৈয়দ আশরাফ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর পদটি ধরে রাখেন। পরে তাঁকে দেওয়া হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সরজমিনে জেলার ৬টি আসন ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাবেক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ছেলে নাজমুল হাসান পাপন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের ছেলে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। নাজমুল হাসান পাপন ও রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। জেলার হাটবাজার থেকে শুরু করে চা স্টল, হোটেল সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে এবারের মন্ত্রিপরিষদে এই দুই রাষ্ট্রপতির সন্তান জায়গা করে নিবেন। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এই দুই সন্তান জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্যই সাধারণ জনগণের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে তাদের বিপুল ভোটে পুনরায় ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছেন। তাদের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য করার জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে জোর দাবি জানাচ্ছে সাধারণ মানুষ। এছাড়া জোর গুঞ্জন চলছে সাবেক আইজিপি ও সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ টেকনোকেট মন্ত্রী হতে চলেছেন।
ইটনা উপজেলার বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা আশাবাদী এবার দুই রাষ্ট্রপতির সন্তান মন্ত্রীপরিষদে জায়গা করে নিবেন। আমরা এখন প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছি।
ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা রাজীব আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরই শুরু হয়েছে নির্বাচনে বিজয়ী দুই সাবেক রাষ্ট্রপতির সন্তানদের নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন। এসব আলোচনা-সমালোচনা ও গুঞ্জনে উঠে আসছে এবারের সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় এই দুইজন ঠাঁই পাচ্ছেন এমন কথা। এমন খবরের কৌতূহল নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ পারভেজ মিয়া বলেন, কিশোরগঞ্জ রাজনৈতিক গুনীজনদের জেলা। স্বাধীনতার পর থেকেই কিশোরগঞ্জে মন্ত্রী ছিল। গত ৫ বছর কিশোরগঞ্জে কোনো মন্ত্রী ছিল না। এবার প্রধানমন্ত্রী সবদিক বিবেচনা করে কিশোরগঞ্জে মন্ত্রীত্ব দিবেন বলে আমি আশা রাখি।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সমন্বয় সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি এ এম ওবায়েদ বলেন, কিশোরগঞ্জের মাটি নৌকার ঘাটি হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আসছে প্রায় তিন দশক ধরে। দু:খজনক হলেও সত্য ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর ৫ বছর কিশোরগঞ্জে কোন মন্ত্রী ছিল না, যা ১৯৭২ সালের পর এক বিরল ঘটনা। এবার আপামোর জনসাধারণ দাবী উঠেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন রাষ্ট্রপতির সন্তানদের মধ্য থেকে অন্তত দুইজনকে দুইটি মন্ত্রনালয় প্রদান করে কিশোরগঞ্জবাসীর দু:খ-কষ্ট লাঘব করবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

পাঁচ বছর পর কি মন্ত্রীত্বের স্বাদ পাবে কিশোরগঞ্জবাসী

প্রকাশিত : ০৫:০৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪

গত রবিবার (০৭) জানুয়ারী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। দশম সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-০১ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে আওয়ামী-লীগ সরকারের জনপ্রশাসনমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। আওয়ামী লীগের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করে এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার আগেই মৃত্য্রুণ করেন। শোলাকিয়ায় লাখো মানুষ যখন সৈয়দ আশরাফকে বিদায় জানায়, সেদিনই কিশোরগঞ্জের মানুষ শুনেছিল এ জেলায় আর মন্ত্রী না থাকার সংবাদ। স্বাধীনতার ৪৭ বছরে একাদশ সংসদে প্রথম মন্ত্রিপরিষদে ছিল না কিশোরগঞ্জ জেলার কেউ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহত্তর ফরিদপুরের গোপালগঞ্জের পর আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় দুর্গ নামে পরিচিত কিশোরগঞ্জ। মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে প্রতিটি সরকারেই কিশোরগঞ্জ থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কেউ না কেউ ছিলেন। কিশোরগঞ্জে মন্ত্রিত্বের স্বর্ণযুগ শুরু শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের হাত ধরে। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া সৈয়দ নজরুল ইসলাম ১৯৭২ সালের ১২ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হলে শিল্প মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই শুরুর পর মন্ত্রীত্বের দরজা আর কখনো বন্ধ হয়নি কিশোরগঞ্জের জন্য।
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী হয়েছিলেন মনোরঞ্জন ধর। ১৯৭৩-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পাটমন্ত্রী ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ আসাদুজ্জামান খান। ১৯৭৯ সালে বিএনপির শাসনামলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ আবু আহমদ ফজলুল করিম। ১৯৮৬ সালে এরশাদের শাসনামলে ভূমি উপমন্ত্রী হন মুজিবুল হক। তিনি কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে জাতীয় পার্টির সাংসদ ছিলেন। ওই সময় আইনমন্ত্রী ছিলেন এই জেলার হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত অর্থমন্ত্রী ছিলেন এই জেলার মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে কিশোরগঞ্জ আসনের বিএনপির সাংসদ এ বি এম জাহিদুল হক নৌপরিবহন উপমন্ত্রী হন।
১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। তখন কিশোরগঞ্জ-৬ আসন থেকে জয় পাওয়া জিল্লুর রহমানকে করা হয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী। সৈয়দ আশরাফ পান বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। ২০০১ সালে বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসে। ওই সময় কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ ওসমান ফারুককে করা হয় শিক্ষামন্ত্রী। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসে। তখন সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের পাশাপাশি পান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। মহজোটের শরিক হিসেবে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের মুজিবুল হককে করা হয় যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসলে সৈয়দ আশরাফ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর পদটি ধরে রাখেন। পরে তাঁকে দেওয়া হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সরজমিনে জেলার ৬টি আসন ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাবেক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ছেলে নাজমুল হাসান পাপন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের ছেলে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। নাজমুল হাসান পাপন ও রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। জেলার হাটবাজার থেকে শুরু করে চা স্টল, হোটেল সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে এবারের মন্ত্রিপরিষদে এই দুই রাষ্ট্রপতির সন্তান জায়গা করে নিবেন। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এই দুই সন্তান জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্যই সাধারণ জনগণের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে তাদের বিপুল ভোটে পুনরায় ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছেন। তাদের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য করার জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে জোর দাবি জানাচ্ছে সাধারণ মানুষ। এছাড়া জোর গুঞ্জন চলছে সাবেক আইজিপি ও সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ টেকনোকেট মন্ত্রী হতে চলেছেন।
ইটনা উপজেলার বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা আশাবাদী এবার দুই রাষ্ট্রপতির সন্তান মন্ত্রীপরিষদে জায়গা করে নিবেন। আমরা এখন প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছি।
ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা রাজীব আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরই শুরু হয়েছে নির্বাচনে বিজয়ী দুই সাবেক রাষ্ট্রপতির সন্তানদের নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন। এসব আলোচনা-সমালোচনা ও গুঞ্জনে উঠে আসছে এবারের সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় এই দুইজন ঠাঁই পাচ্ছেন এমন কথা। এমন খবরের কৌতূহল নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ পারভেজ মিয়া বলেন, কিশোরগঞ্জ রাজনৈতিক গুনীজনদের জেলা। স্বাধীনতার পর থেকেই কিশোরগঞ্জে মন্ত্রী ছিল। গত ৫ বছর কিশোরগঞ্জে কোনো মন্ত্রী ছিল না। এবার প্রধানমন্ত্রী সবদিক বিবেচনা করে কিশোরগঞ্জে মন্ত্রীত্ব দিবেন বলে আমি আশা রাখি।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সমন্বয় সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি এ এম ওবায়েদ বলেন, কিশোরগঞ্জের মাটি নৌকার ঘাটি হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আসছে প্রায় তিন দশক ধরে। দু:খজনক হলেও সত্য ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর ৫ বছর কিশোরগঞ্জে কোন মন্ত্রী ছিল না, যা ১৯৭২ সালের পর এক বিরল ঘটনা। এবার আপামোর জনসাধারণ দাবী উঠেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন রাষ্ট্রপতির সন্তানদের মধ্য থেকে অন্তত দুইজনকে দুইটি মন্ত্রনালয় প্রদান করে কিশোরগঞ্জবাসীর দু:খ-কষ্ট লাঘব করবে।