০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে ভাসমান জেলেদের মাঝে জেলা প্রশাসকের শীতবস্ত্র উপহার

লক্ষ্মীপুরে কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এ শীতের মধ্যেই খুব কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে ভাসমান জেলেদের (মানতা সম্প্রদায়)। খবর পেয়ে কম্বল নিয়ে মেঘনা নদীর পাড়ে ছুটে যান লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান। সেখানে প্রায় ২০০ পরিবারকে দেওয়া হয় জেলা প্রশাসকের উপহার হিসেবে কম্বল। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে সদর উপজেলার মজুচৌধুরীর হাট মেঘনারপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গণে জেলেদের হাতে এ কম্বলগুলো তুলে দেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সাজিয়া পারভিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আক্তার হোসেন শাহিন,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান,চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ছৈয়াল। জেলেদের সর্দার সোহরাব মাঝি বলেন,আমাদের এখানে ২২০ টি পরিবার রয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি পরিবার ডাঙায় থাকেন। এছাড়া ২৫ টি পরিবারকে সরকার ঘর দিয়েছে৷ ১৮০ টি পরিবার নৌকাতেই বসবাস করে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাদের সবই নৌকাতেই সংঘটিত হয়।ডিসি স্যার আমাদের সবগুলো পরিবারকে কম্বল দিয়েছে।আমরা সবাই খুব খুশি হয়েছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরে ভাসমান জেলেদের মাঝে জেলা প্রশাসকের শীতবস্ত্র উপহার

প্রকাশিত : ০৯:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪

লক্ষ্মীপুরে কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এ শীতের মধ্যেই খুব কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে ভাসমান জেলেদের (মানতা সম্প্রদায়)। খবর পেয়ে কম্বল নিয়ে মেঘনা নদীর পাড়ে ছুটে যান লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান। সেখানে প্রায় ২০০ পরিবারকে দেওয়া হয় জেলা প্রশাসকের উপহার হিসেবে কম্বল। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে সদর উপজেলার মজুচৌধুরীর হাট মেঘনারপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গণে জেলেদের হাতে এ কম্বলগুলো তুলে দেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সাজিয়া পারভিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আক্তার হোসেন শাহিন,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান,চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ছৈয়াল। জেলেদের সর্দার সোহরাব মাঝি বলেন,আমাদের এখানে ২২০ টি পরিবার রয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি পরিবার ডাঙায় থাকেন। এছাড়া ২৫ টি পরিবারকে সরকার ঘর দিয়েছে৷ ১৮০ টি পরিবার নৌকাতেই বসবাস করে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাদের সবই নৌকাতেই সংঘটিত হয়।ডিসি স্যার আমাদের সবগুলো পরিবারকে কম্বল দিয়েছে।আমরা সবাই খুব খুশি হয়েছি।