০৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

উপাচার্য আপনি মানে মানে কেটে পড়ুন: শিক্ষক সমিতির সভাপতি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে সময় থাকতে মানে মানে কেটে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১২ টার দিকে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক সমিতির অবস্থান কর্মসূচীতে এমন কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা আন্দোলন করার জন্য মাঠে নামতে চাইনি কিন্তু আপনি আমাদেরকে বাধ্য করছেন। আমাদের সাথে আলোচনার পথ রুদ্ধ করেছেন এবং পরে চুপিচুপি শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড সম্পূর্ণ করেছেন। সুতরাং, সময় থাকতে আপনারা মানে মানে কেটে পড়ুন নইলে পরে লেজ গুটিয়ে পালানোর পথ পাবেন না । তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা চাই এবং বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ‘বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট ১৯৭৩’ এর প্রকৃত অর্থে বাস্তবায়ন দেখতে চাই। আজ দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, একদিকে উপ-উপাচার্য আমাদের সাথে আলোচনা করার প্রস্তাব দিয়েছেন আবার অন্যদিকে গণতন্ত্রের বিজয় উদযাপনের নামে আমাদের সাথে একধরনের প্রহসনে লিপ্ত হয়েছেন। আসলে আপনাদের মূল উদ্দেশ্য কী আমাদের আন্দোলন ভন্ডুল করা? এই সাংঘর্ষিক প্রোগ্রাম করার দায় আপনাদেরকে দিতে হবে। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ১৯৭৩ লঙ্ঘন করে এবং প্রয়োজন না থাকা সত্বেও বাংলা ও আইন বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ ও দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহতভাবে চলমান ব্যাপক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কয়েক দফায় অবস্থান কর্মসূচী পালন করে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। সেই ধারাবাহিকতায় আজ (১৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচীর আয়োজন করেন তারা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

উপাচার্য আপনি মানে মানে কেটে পড়ুন: শিক্ষক সমিতির সভাপতি

প্রকাশিত : ১০:২০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে সময় থাকতে মানে মানে কেটে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১২ টার দিকে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক সমিতির অবস্থান কর্মসূচীতে এমন কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা আন্দোলন করার জন্য মাঠে নামতে চাইনি কিন্তু আপনি আমাদেরকে বাধ্য করছেন। আমাদের সাথে আলোচনার পথ রুদ্ধ করেছেন এবং পরে চুপিচুপি শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড সম্পূর্ণ করেছেন। সুতরাং, সময় থাকতে আপনারা মানে মানে কেটে পড়ুন নইলে পরে লেজ গুটিয়ে পালানোর পথ পাবেন না । তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা চাই এবং বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ‘বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট ১৯৭৩’ এর প্রকৃত অর্থে বাস্তবায়ন দেখতে চাই। আজ দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, একদিকে উপ-উপাচার্য আমাদের সাথে আলোচনা করার প্রস্তাব দিয়েছেন আবার অন্যদিকে গণতন্ত্রের বিজয় উদযাপনের নামে আমাদের সাথে একধরনের প্রহসনে লিপ্ত হয়েছেন। আসলে আপনাদের মূল উদ্দেশ্য কী আমাদের আন্দোলন ভন্ডুল করা? এই সাংঘর্ষিক প্রোগ্রাম করার দায় আপনাদেরকে দিতে হবে। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ১৯৭৩ লঙ্ঘন করে এবং প্রয়োজন না থাকা সত্বেও বাংলা ও আইন বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ ও দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহতভাবে চলমান ব্যাপক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কয়েক দফায় অবস্থান কর্মসূচী পালন করে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। সেই ধারাবাহিকতায় আজ (১৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচীর আয়োজন করেন তারা।