০৪:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

শেরপুরে ৮ টি ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ

শেরপুরে ৬ ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও ২টি প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ
শেরপুরে অভিযান চালিয়ে লাইসেন্সবিহীন ছয়টি ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও নিজস্ব চিকিৎসক না থাকায় দুটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে শেরপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সারাদিন ব্যাপি জেলা শহরে অভিযান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন ডা. অনুপম ভট্টাচার্য। এ ছাড়া বাকি চার উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, নিরাপদ জেনারেল প্রাইভেট হাসপাতাল, সততা ডায়াগনেস্টিক এন্ড প্রাইভেট হাসপাতাল লি., জনতা ডায়াগনেস্টিক সেন্টার, মারিয়া নার্সিং হোম, সরকার ডায়াগনেস্টিক সেন্টার, মানবসেবা ডায়াগনেস্টিক সেন্টার, শ্যামল ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও হযরত শাহজালাল (র.) ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. অনুপম ভট্টাচার্য বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় ক্লিনিক ও ডায়াগনেস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমি নিজে সদর উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেছি। এ সময় অনিবন্ধিত ছযটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং চিকিৎসক না থাকার কারণে দুটি ক্লিনিক বন্ধ করা হয়েছে। এ অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় মোট হাসপাতালের সংখ্যা ২৩টি। যেগুলো নিবন্ধিত। ৯১টি ক্লিনিক ও ডায়াগনেস্টিক সেন্টারের মধ্যে নিবন্ধন রয়েছে ৭৬টি। বাকিগুলো নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

শেরপুরে ৮ টি ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ

প্রকাশিত : ০৮:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪

শেরপুরে ৬ ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও ২টি প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ
শেরপুরে অভিযান চালিয়ে লাইসেন্সবিহীন ছয়টি ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও নিজস্ব চিকিৎসক না থাকায় দুটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে শেরপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সারাদিন ব্যাপি জেলা শহরে অভিযান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন ডা. অনুপম ভট্টাচার্য। এ ছাড়া বাকি চার উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, নিরাপদ জেনারেল প্রাইভেট হাসপাতাল, সততা ডায়াগনেস্টিক এন্ড প্রাইভেট হাসপাতাল লি., জনতা ডায়াগনেস্টিক সেন্টার, মারিয়া নার্সিং হোম, সরকার ডায়াগনেস্টিক সেন্টার, মানবসেবা ডায়াগনেস্টিক সেন্টার, শ্যামল ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও হযরত শাহজালাল (র.) ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. অনুপম ভট্টাচার্য বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় ক্লিনিক ও ডায়াগনেস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমি নিজে সদর উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেছি। এ সময় অনিবন্ধিত ছযটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং চিকিৎসক না থাকার কারণে দুটি ক্লিনিক বন্ধ করা হয়েছে। এ অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় মোট হাসপাতালের সংখ্যা ২৩টি। যেগুলো নিবন্ধিত। ৯১টি ক্লিনিক ও ডায়াগনেস্টিক সেন্টারের মধ্যে নিবন্ধন রয়েছে ৭৬টি। বাকিগুলো নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।