০৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

ছুটির দিনে লোকে লোকারণ্য লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব

জমে উঠছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে শুরু হওয়া মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব ২০২৪।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি)সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের পদচারণে মুখরিত ছিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন আয়োজিত লোকজ উৎসব। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী এ উৎসবে আসেন।
গত মঙ্গলবার  বিকেলে ফাউন্ডেশনের ময়ূরপঙ্খী লোকজ মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার এ মেলার শুভ উদ্বোধন করেন।
বিলুপ্তপ্রায় বাংলার লোক ও কারুশিল্পের সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন, বিপণন ও পুনরুজ্জীবনের লক্ষে সোনারগাঁয়ের বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব উৎসবের আয়োজন করেছে। ১৯৯১ সাল থেকে নিয়মিতভাবে মাসব্যাপী এ লোকজ মেলার আয়োজন করে ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ।
উৎসবের মূল আকর্ষণ কর্মরত কারুশিল্প প্রদর্শনীতে উৎসুক দর্শনার্থীর প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ করা গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কারুশিল্পীরা এ উৎসব চত্বরে তাদের কারুপণ্য তৈরি ও বিক্রি করছেন। সাধারণ মানুষ এ কারুপণ্য তৈরির কলাকৌশল দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীর ঢল ছিল চোখে পড়ার মতো। বিপুল দর্শনার্থীর চাপে উৎসব চতুরের সামনের সড়কে দীর্ঘ যানজটের
সৃষ্টি হয়। এতে দর্শনার্থীসহ স্থানীয়রা বেশ ভোগান্তিতে পড়ে। দর্শনার্থীর ব্যাপক উপস্থিতিতে কারুশিল্পীরা বেশ খুশি।
গজারিয়া থেকে আগত দর্শনার্থী আরিফা জানান,  শুক্রবার ছুটির দিন থাকার সুবাদে এসেছি লোকজ উৎসবে।  হাতের তৈরী কাঠের, তাঁতের বিভিন্ন পন্য ক্রয় করেছেন। লোকজ মেলায় এসে তারা মুগ্ধ হয়েছেন বিভিন্ন কারু পন্য দেখে ও ক্রয় করে।
বরিশাল থেকে আগত দর্শনার্থী আরমান  জানান, তিনি  চাকরি করেন। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়াতে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে এসেছেন লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসবে। দেশীয় হাতের তৈরী পন্য ক্রয় করেছেন।  টেপা পুতুল তৈরির কারুশিল্পী জানান,দর্শনার্থী বেশি হওয়ায় তুলনামূলকভাবে বিক্রিও বেড়েছে।
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক একেএম আজাদ সরকার জানান, হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই মাসব্যাপী এ মেলার আয়োজন।
গত ১৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ উৎসব শেষ হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারিতে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উৎসব প্রাঙ্গণ খোলা থাকবে। উৎসবে প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৫০টাকা তবে বিকেল ৫টার পর উৎসবে ফ্রি প্রবেশ করা যাবে।
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

ছুটির দিনে লোকে লোকারণ্য লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব

প্রকাশিত : ০৮:৩১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪
জমে উঠছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে শুরু হওয়া মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব ২০২৪।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি)সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের পদচারণে মুখরিত ছিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন আয়োজিত লোকজ উৎসব। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী এ উৎসবে আসেন।
গত মঙ্গলবার  বিকেলে ফাউন্ডেশনের ময়ূরপঙ্খী লোকজ মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার এ মেলার শুভ উদ্বোধন করেন।
বিলুপ্তপ্রায় বাংলার লোক ও কারুশিল্পের সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন, বিপণন ও পুনরুজ্জীবনের লক্ষে সোনারগাঁয়ের বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব উৎসবের আয়োজন করেছে। ১৯৯১ সাল থেকে নিয়মিতভাবে মাসব্যাপী এ লোকজ মেলার আয়োজন করে ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ।
উৎসবের মূল আকর্ষণ কর্মরত কারুশিল্প প্রদর্শনীতে উৎসুক দর্শনার্থীর প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ করা গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কারুশিল্পীরা এ উৎসব চত্বরে তাদের কারুপণ্য তৈরি ও বিক্রি করছেন। সাধারণ মানুষ এ কারুপণ্য তৈরির কলাকৌশল দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীর ঢল ছিল চোখে পড়ার মতো। বিপুল দর্শনার্থীর চাপে উৎসব চতুরের সামনের সড়কে দীর্ঘ যানজটের
সৃষ্টি হয়। এতে দর্শনার্থীসহ স্থানীয়রা বেশ ভোগান্তিতে পড়ে। দর্শনার্থীর ব্যাপক উপস্থিতিতে কারুশিল্পীরা বেশ খুশি।
গজারিয়া থেকে আগত দর্শনার্থী আরিফা জানান,  শুক্রবার ছুটির দিন থাকার সুবাদে এসেছি লোকজ উৎসবে।  হাতের তৈরী কাঠের, তাঁতের বিভিন্ন পন্য ক্রয় করেছেন। লোকজ মেলায় এসে তারা মুগ্ধ হয়েছেন বিভিন্ন কারু পন্য দেখে ও ক্রয় করে।
বরিশাল থেকে আগত দর্শনার্থী আরমান  জানান, তিনি  চাকরি করেন। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়াতে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে এসেছেন লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসবে। দেশীয় হাতের তৈরী পন্য ক্রয় করেছেন।  টেপা পুতুল তৈরির কারুশিল্পী জানান,দর্শনার্থী বেশি হওয়ায় তুলনামূলকভাবে বিক্রিও বেড়েছে।
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক একেএম আজাদ সরকার জানান, হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই মাসব্যাপী এ মেলার আয়োজন।
গত ১৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ উৎসব শেষ হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারিতে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উৎসব প্রাঙ্গণ খোলা থাকবে। উৎসবে প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৫০টাকা তবে বিকেল ৫টার পর উৎসবে ফ্রি প্রবেশ করা যাবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/এমএইচটি