০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

বিল পরিশোধ করতে না পারায় নবজাতক বিক্রি, পরিচালকসহ আটক ৩

রংপুর নগরীর হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে না পারায় এক নবজাতককে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে হাসপাতাল পরিচালকের বিরুদ্ধে। নবজাকতটির বাবার সহায়তায় হাসপাতাল পরিচালক ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে তার পূর্বপরিচিতদের কাছে পাঁচ দিন বয়সী শিশুটিকে বিক্রি করে দেন। এ ঘটনায় প্রসূতি মায়ের অভিযোগে নবজাতককে উদ্ধার ও হাসপাতাল পরিচালকসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে।

আটকরা হলেন- হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের পরিচালক ও নগরীর কামারপাড়া এলাকার মৃত নজির উদ্দিন সরকারের ছেলে এমএস রহমান রনি (৫৮), শিশুটির ক্রেতা মধ্য পীরজাবাদ এলাকার সামসুল ইসলামের ছেলে রুবেল হোসেন রতন (৩০) ও রুবেলের স্ত্রী জেরিনা আক্তার বিথী (৩০)।

রোববার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন। এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি বুধবার সকালে হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের বিল পরিশোধে ব্যর্থতার অযুহাত ও রোগীর পরিবারের অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে নবজাতক ছেলে শিশুটির বিক্রির এ ঘটনা ঘটে।

উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানান, গত ১৩ জানুয়ারি শনিবার নগরীর কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল সংলগ্ন শাপলা রোডস্থ হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালেল ২০২নং রুমে প্রসব বেদনা নিয়ে ভর্তি হন ভুরারঘাট এলাকার লাবনী আক্তার (২২)। সেখানে ওই দিন রাতে সিজারের মাধ্যমে একটি নবাজাতক শিশুর (ছেলে) জন্ম দেন তিনি। এর চারদিন পর ১৭ জানুয়ারি ক্লিনিকের বিল পরিশোধে ব্যর্থতার অজুহাত ও অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে প্রসূতি মায়ের অগোচরে সদ্যোজাত শিশুকে বিক্রির উদ্যোগ নেন হাসপাতালের পরিচালক। শিশুটির বাবা ওয়াসিম আকরামের সহায়তায় হাসপাতালের পরিচালক এমএস রহমান রনি তার পূর্ব পরিচিত জেরিনা আক্তার বিথী ও রুবেল হোসেন রতনের নিকট ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পরবর্তীতে প্রসূতি লাবনী আক্তার কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে রোববার (২১ জানুয়ারি) নগরীর মধ্য পীরজাবাদ এলাকা হতে নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে এ ঘটনার সাথে জড়িত এমএস রহমান রনি, রুবেল হোসেন রতন, জেরিনা আক্তার বিথীকে আটক করে। ওই প্রসূতি মা আটকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলেও জানান আরপিএমপির ওই পুলিশ কর্মকর্তা ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এমএইচটি

জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

বিল পরিশোধ করতে না পারায় নবজাতক বিক্রি, পরিচালকসহ আটক ৩

প্রকাশিত : ০৭:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪

রংপুর নগরীর হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে না পারায় এক নবজাতককে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে হাসপাতাল পরিচালকের বিরুদ্ধে। নবজাকতটির বাবার সহায়তায় হাসপাতাল পরিচালক ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে তার পূর্বপরিচিতদের কাছে পাঁচ দিন বয়সী শিশুটিকে বিক্রি করে দেন। এ ঘটনায় প্রসূতি মায়ের অভিযোগে নবজাতককে উদ্ধার ও হাসপাতাল পরিচালকসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে।

আটকরা হলেন- হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের পরিচালক ও নগরীর কামারপাড়া এলাকার মৃত নজির উদ্দিন সরকারের ছেলে এমএস রহমান রনি (৫৮), শিশুটির ক্রেতা মধ্য পীরজাবাদ এলাকার সামসুল ইসলামের ছেলে রুবেল হোসেন রতন (৩০) ও রুবেলের স্ত্রী জেরিনা আক্তার বিথী (৩০)।

রোববার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন। এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি বুধবার সকালে হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের বিল পরিশোধে ব্যর্থতার অযুহাত ও রোগীর পরিবারের অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে নবজাতক ছেলে শিশুটির বিক্রির এ ঘটনা ঘটে।

উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানান, গত ১৩ জানুয়ারি শনিবার নগরীর কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল সংলগ্ন শাপলা রোডস্থ হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালেল ২০২নং রুমে প্রসব বেদনা নিয়ে ভর্তি হন ভুরারঘাট এলাকার লাবনী আক্তার (২২)। সেখানে ওই দিন রাতে সিজারের মাধ্যমে একটি নবাজাতক শিশুর (ছেলে) জন্ম দেন তিনি। এর চারদিন পর ১৭ জানুয়ারি ক্লিনিকের বিল পরিশোধে ব্যর্থতার অজুহাত ও অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে প্রসূতি মায়ের অগোচরে সদ্যোজাত শিশুকে বিক্রির উদ্যোগ নেন হাসপাতালের পরিচালক। শিশুটির বাবা ওয়াসিম আকরামের সহায়তায় হাসপাতালের পরিচালক এমএস রহমান রনি তার পূর্ব পরিচিত জেরিনা আক্তার বিথী ও রুবেল হোসেন রতনের নিকট ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পরবর্তীতে প্রসূতি লাবনী আক্তার কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে রোববার (২১ জানুয়ারি) নগরীর মধ্য পীরজাবাদ এলাকা হতে নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে এ ঘটনার সাথে জড়িত এমএস রহমান রনি, রুবেল হোসেন রতন, জেরিনা আক্তার বিথীকে আটক করে। ওই প্রসূতি মা আটকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলেও জানান আরপিএমপির ওই পুলিশ কর্মকর্তা ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এমএইচটি