০১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

জনপ্রতিনিধি না হয়েও দীর্ঘ সময় জনগণের দুয়ারে

আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৩,১৪,১৫ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোছাঃ রেজিয়া খাতুন।সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজের পাশাপাশি মাদকমুক্ত, বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে ও নির্যাতিত নারী সমাজের কল্যাণে তাদের সহায়তায় করাই তার মুল্য লক্ষ্য।মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোছাঃ রেজিয়া খাতুনের কর্মীসমর্থকরা জানান- ৯০ দশকের শুরু থেকে মাসকান্দার অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল খুব খারাপ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা ছিল অত্যন্ত খারাপ।মাসকান্দার নারী সমাজের কোন নারী দশটি টাকা খরচ করতে পারত না।কারণ তাদের আয় ছিল খুবই সীমিত কোন মতো দুবেলা খেয়ে দেয়ে জীবন পরিচালনা করতো।নারী‌ সমাজকে অন্ধকারে রেখে কখনোই দেশ ও সমাজের উন্নয়ন সম্ভব হয়নি।তাই এই নারী সমাজকে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে মোছাঃ রিজিয়া খাতুন নিজ স্বার্থ উপেক্ষা করে লড়াই ও সংগ্রামের মাধ্যমে নারীদের বিভিন্ন কুটির শিল্প ,ব্যবসা-বাণিজ্য ও ছাগল পালন,গাভী পালন, হাঁস পালন ,মুরগি পালনসহ নানাবিধ কাজের উৎসাহ দিয়ে আসছিল।এই সকল কাজের জন্য প্রত্যেক নারীর কিছু সংখ্যক আর্থিক টাকার প্রয়োজন ছিল, তাই মোছাঃ রেজিয়া খাতুন বিভিন্ন নারীদের বিভিন্ন এনজিও থেকে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করেন এবং নারীদের এই অর্থ বিভিন্ন কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করেন। এইভাবে পাঁচটি বছর কেটে যায় এবং মাসকান্দার নারীর সমাজ মোটামুটি ভাবে আর্থিক স্বচ্ছলতায় ফিরে আসে।এরপর ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী সরকার গঠন করেন তখন শেখ হাসিনার একটি উদ্দেশ্য ছিল বয়স্ক শিক্ষা এবং স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করা। এই বয়স্ক শিক্ষা ও স্বাক্ষরতা হার বৃদ্ধির জন্য নিরলস ভাবে ময়মনসিংহের বিলুপ্ত পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডে নিরলস ভাবে কাজ করেন মোছাঃ রিজিয়া খাতুন। এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আরেকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেন সেটি হচ্ছে নারী সমাজের নেতৃত্বে সিডিসির মাধ্যমে ‌সমাজে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা। তখন মাসকান্দা গনসার মোড় সিডিসির চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সকলের প্রিয় মোছাঃ রেজিয়া খাতুন।‌চেয়ারম্যান থাকাকালীন মোছাঃ রেজিয়া খাতুন মাসকান্দায় ২০০টি গভীর বিশুদ্ধ পানির নলকূপ স্থাপন করেন এবং ২০০টি স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা নির্মাণ করে দেন সিডিসির মাধ্যমে।সমাজে বেকার যুবকদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সিডিসির মাধ্যমে বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে সরকারি অর্থ সহায়তা করে তাদের প্রতিষ্ঠিত করা হয়।সমাজের অসহায় মহিলা, বিধবা মহিলা ,স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা এদেরকে সেলাই কাজে প্রশিক্ষণ প্রদান করে সেলাই মেশিনে ব্যবস্থা করে দেন মোছাঃ রেজিয়া খাতুন। এই সময় অনেক ছেলেমেয়ে খরচের কারণে পড়াশোনা বাদ দেন এই ঝরে পড়া শিশুদের স্কুলে আবারো পাঠানোর জন্য সিডিসির মাধ্যমে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেন।এরই সুবাদে ময়মনসিংহের বিলুপ্ত পৌরসভায় দুইবার ও নবগঠিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সক্রিয় ভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে তিনি পরপর তিনবার পরাজয় বরণ করেন।এরপরও উনার মানব সেবার কোন কমতি ছিল না। এলাকার মানুষ যখন কোন বিপদে পড়তো তখনই তিনি ছুটে যেতেন সেই বিপদ কিছুটা হলেও লাগব করতেন। নির্বাচনে বিজয়ী না হয়েও মাননীয় মেয়র জনাব ইকরামুল হক টিটু মহোদয়ের নিকট হতে বয়স্ক ভাতা নারী পরিত্যক্ত ভাতা প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রতিবন্ধী ভাতা এবং গর্ভবতী মায়েদের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা টিসিবির কার্ড ও ও এম এস কার্ডের ব্যবস্থা করে দেন অনেক নিম্ন আয়ের মানুষের। বারবার নির্বাচনের পরাজয় হবার পর ও তিনি তার মানবিক হাত অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বাড়িয়ে দেন। দেশের বিভিন্ন দুর্যোগের সময় তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস জোগাড় করতেন এবং মানবিক সাহায্য প্রদান করতেন সর্বশেষ দেশে করোনা ভাইরাস দেখা দিলে মানুষের জীবন থমকে গিয়েছিল এই করোনাকে উপেক্ষা করে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের খোঁজখবর নিয়েছিলেন যাদের ঘরে চাউল ,ডাল ছিল না তাদের ঘরে খাবারের ব্যবস্থা করেছেন ওষুধের ব্যবস্থা করেছেন এবং করোনা ভাইরাসের সচেতনতামূলক বিভিন্ন তথ্য জানিয়েছেন। ‌ মানুষ যখন তীব্র শীতে কষ্ট পেত তখন তিনি নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাগে এর জন্য নিজস্ব অর্থায়নে কম্বলের ব্যবস্থা করতেন এবং প্রতিটি ঈদের সময় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান করতেন।১৩,১৪,১৫ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোছাঃ রেজিয়া খাতুন জানান- আমি যদি এবার নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারি তাহলে সাধারণ মানুষের মাঝে থেকে তাদের সকল সমস্যা চিহ্নিত করে মাননীয় মেয়র মহোদয়ের নিকট উপস্থাপন করব এবং সকল প্রকার ‌সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করবো।আমি সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজের পাশাপাশি মাদকমুক্ত, বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে ও নির্যাতিত নারী সমাজের কল্যাণে তাদের সহায়তা করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

জনপ্রতিনিধি না হয়েও দীর্ঘ সময় জনগণের দুয়ারে

প্রকাশিত : ০৮:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪

আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৩,১৪,১৫ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোছাঃ রেজিয়া খাতুন।সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজের পাশাপাশি মাদকমুক্ত, বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে ও নির্যাতিত নারী সমাজের কল্যাণে তাদের সহায়তায় করাই তার মুল্য লক্ষ্য।মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোছাঃ রেজিয়া খাতুনের কর্মীসমর্থকরা জানান- ৯০ দশকের শুরু থেকে মাসকান্দার অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল খুব খারাপ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা ছিল অত্যন্ত খারাপ।মাসকান্দার নারী সমাজের কোন নারী দশটি টাকা খরচ করতে পারত না।কারণ তাদের আয় ছিল খুবই সীমিত কোন মতো দুবেলা খেয়ে দেয়ে জীবন পরিচালনা করতো।নারী‌ সমাজকে অন্ধকারে রেখে কখনোই দেশ ও সমাজের উন্নয়ন সম্ভব হয়নি।তাই এই নারী সমাজকে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে মোছাঃ রিজিয়া খাতুন নিজ স্বার্থ উপেক্ষা করে লড়াই ও সংগ্রামের মাধ্যমে নারীদের বিভিন্ন কুটির শিল্প ,ব্যবসা-বাণিজ্য ও ছাগল পালন,গাভী পালন, হাঁস পালন ,মুরগি পালনসহ নানাবিধ কাজের উৎসাহ দিয়ে আসছিল।এই সকল কাজের জন্য প্রত্যেক নারীর কিছু সংখ্যক আর্থিক টাকার প্রয়োজন ছিল, তাই মোছাঃ রেজিয়া খাতুন বিভিন্ন নারীদের বিভিন্ন এনজিও থেকে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করেন এবং নারীদের এই অর্থ বিভিন্ন কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করেন। এইভাবে পাঁচটি বছর কেটে যায় এবং মাসকান্দার নারীর সমাজ মোটামুটি ভাবে আর্থিক স্বচ্ছলতায় ফিরে আসে।এরপর ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী সরকার গঠন করেন তখন শেখ হাসিনার একটি উদ্দেশ্য ছিল বয়স্ক শিক্ষা এবং স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করা। এই বয়স্ক শিক্ষা ও স্বাক্ষরতা হার বৃদ্ধির জন্য নিরলস ভাবে ময়মনসিংহের বিলুপ্ত পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডে নিরলস ভাবে কাজ করেন মোছাঃ রিজিয়া খাতুন। এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আরেকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেন সেটি হচ্ছে নারী সমাজের নেতৃত্বে সিডিসির মাধ্যমে ‌সমাজে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা। তখন মাসকান্দা গনসার মোড় সিডিসির চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সকলের প্রিয় মোছাঃ রেজিয়া খাতুন।‌চেয়ারম্যান থাকাকালীন মোছাঃ রেজিয়া খাতুন মাসকান্দায় ২০০টি গভীর বিশুদ্ধ পানির নলকূপ স্থাপন করেন এবং ২০০টি স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা নির্মাণ করে দেন সিডিসির মাধ্যমে।সমাজে বেকার যুবকদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সিডিসির মাধ্যমে বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে সরকারি অর্থ সহায়তা করে তাদের প্রতিষ্ঠিত করা হয়।সমাজের অসহায় মহিলা, বিধবা মহিলা ,স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা এদেরকে সেলাই কাজে প্রশিক্ষণ প্রদান করে সেলাই মেশিনে ব্যবস্থা করে দেন মোছাঃ রেজিয়া খাতুন। এই সময় অনেক ছেলেমেয়ে খরচের কারণে পড়াশোনা বাদ দেন এই ঝরে পড়া শিশুদের স্কুলে আবারো পাঠানোর জন্য সিডিসির মাধ্যমে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেন।এরই সুবাদে ময়মনসিংহের বিলুপ্ত পৌরসভায় দুইবার ও নবগঠিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সক্রিয় ভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে তিনি পরপর তিনবার পরাজয় বরণ করেন।এরপরও উনার মানব সেবার কোন কমতি ছিল না। এলাকার মানুষ যখন কোন বিপদে পড়তো তখনই তিনি ছুটে যেতেন সেই বিপদ কিছুটা হলেও লাগব করতেন। নির্বাচনে বিজয়ী না হয়েও মাননীয় মেয়র জনাব ইকরামুল হক টিটু মহোদয়ের নিকট হতে বয়স্ক ভাতা নারী পরিত্যক্ত ভাতা প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রতিবন্ধী ভাতা এবং গর্ভবতী মায়েদের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা টিসিবির কার্ড ও ও এম এস কার্ডের ব্যবস্থা করে দেন অনেক নিম্ন আয়ের মানুষের। বারবার নির্বাচনের পরাজয় হবার পর ও তিনি তার মানবিক হাত অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বাড়িয়ে দেন। দেশের বিভিন্ন দুর্যোগের সময় তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস জোগাড় করতেন এবং মানবিক সাহায্য প্রদান করতেন সর্বশেষ দেশে করোনা ভাইরাস দেখা দিলে মানুষের জীবন থমকে গিয়েছিল এই করোনাকে উপেক্ষা করে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের খোঁজখবর নিয়েছিলেন যাদের ঘরে চাউল ,ডাল ছিল না তাদের ঘরে খাবারের ব্যবস্থা করেছেন ওষুধের ব্যবস্থা করেছেন এবং করোনা ভাইরাসের সচেতনতামূলক বিভিন্ন তথ্য জানিয়েছেন। ‌ মানুষ যখন তীব্র শীতে কষ্ট পেত তখন তিনি নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাগে এর জন্য নিজস্ব অর্থায়নে কম্বলের ব্যবস্থা করতেন এবং প্রতিটি ঈদের সময় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান করতেন।১৩,১৪,১৫ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোছাঃ রেজিয়া খাতুন জানান- আমি যদি এবার নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারি তাহলে সাধারণ মানুষের মাঝে থেকে তাদের সকল সমস্যা চিহ্নিত করে মাননীয় মেয়র মহোদয়ের নিকট উপস্থাপন করব এবং সকল প্রকার ‌সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করবো।আমি সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজের পাশাপাশি মাদকমুক্ত, বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে ও নির্যাতিত নারী সমাজের কল্যাণে তাদের সহায়তা করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।