চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘কুয়াশা উৎসব’ শিরোনামে সমান্তরাল ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের (সামাজিক সম্প্রতি সংগঠন) উদ্যোগে বাঙালি ও আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন নবীন উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করা হয়।
রোববার দুপুর ১ টার দিকে চবির বুদ্ধিজীবী চত্বরে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য(একাডেমিক) অধ্যাপক বেনু কুমার দে বলেন, ‘অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। এর পাশাপাশি চিত্ত বিনোদন ও সৃজনশীলতা মানুষের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীরা যে পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে তা সৃজনশীলতারই অংশ। এ ধরনের আয়োজন মনকে প্রশান্তি এনে দেয়। তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সৃজনশীল কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহবান জানান’।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা ফেরদৌসী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রভাষক সাং থুই। ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর আরশী হোড়, ভারপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর শুভ্র দেব, চট্টগ্রাম জেলা কো-অর্ডিনেটর সাদিব বিন ইউসুফ।
পিঠা উৎসবের পর বিকালের দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সম্প্রীতির র্যাম্প ওয়াক হয়, যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে দেশের সকল সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটে।
এই ‘কুয়াশা উৎসব” আয়োজনে ছিলেন সমান্তরালের কো অর্ডিনেটর আরমান সাকিব, শামসুন্নাহার রুমী,অর্থী চাকমা,সাজ্জাদ হোসাইন, ওয়াং নাই (রাখাইন), আলি হাসান মোজাহিদ, নিয়াজুর নিলয়,নুসরাত জাহান প্রিমা, সানবিম সিফাত প্রমুখ।
বিজনেস বাংলাদেশ/একে




















