১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

প্রথম সংসদ অধিবেশনে আমি অসন্তুষ্টির কিছু বলিনি : জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় করতে না পারলে সামনের দিকে সরকারের দিনগুলো সুখকর হবে না।

 

রংপুরের পল্লী নিবাসে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত ১১ সংসদ সদস্যদের নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টির মাঠে কোনো কর্মসূচি থাকবে কিনা—তা জানতে চাইলে জিএম কাদের বলেন, যখন সময় আসবে, তখন দেখবেন।

সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের আরও বলেন, প্রথম সংসদ অধিবেশনে আমি অসন্তুষ্টির কিছু বলিনি। সংসদে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্পিকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছি, যুক্তি দিয়েছি। এখন অনেকে বলেছে, এটা বলার রেওয়াজ ছিল না। আমি বলি, রেওয়াজ মানুষের তৈরি। নতুন রেওয়াজ তৈরির জন্য মানুষই রেওয়াজ ভাঙ্গে। রেওয়াজ কোনো আইন নয়। আইন হলেও তা পরিবর্তন করা যায়। সংসদে আমি কোন অসাংবিধানিক বক্তব্য দেইনি।

জাতীয় পার্টি অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন, আমরা প্রায় ৩৪ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে রয়েছি। এর মধ্যে ২০০১ সালে সর্বশেষ ৩০০ আসনে নির্বাচন করেছি। সেই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়ায় ১৪টি আসন পেয়েছিলাম। ৩৪ বছর ক্ষমতার বাইরে থেকে আমাদের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী দলে বিরাট ধস নেমেছে—তা আমি মনে করছি না।

 

এসময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, বিগত সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে নানা কথা হয়েছিল। এবার যেন সেই প্রশ্ন না আসে, সেজন্য বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যা যা করা দরকার, তাই করবো। বঙ্গবন্ধুর মতো সংসদ নেতা থাকাকালীন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পার্লামেন্ট কাঁপিয়ে রাখতেন। বর্তমান বিরোধী দলীয় নেতা, উপনেতাসহ আমরা সবাই একাধিকবার সংসদ সদস্য ছিলাম, অনেকে মন্ত্রীও ছিলেন। তাই দেশবাসী আমাদের উপর ভরসা রাখতে পারেন। আমরা আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবো।

 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন—দলের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাসহ তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

প্রথম সংসদ অধিবেশনে আমি অসন্তুষ্টির কিছু বলিনি : জিএম কাদের

প্রকাশিত : ০৭:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় করতে না পারলে সামনের দিকে সরকারের দিনগুলো সুখকর হবে না।

 

রংপুরের পল্লী নিবাসে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত ১১ সংসদ সদস্যদের নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টির মাঠে কোনো কর্মসূচি থাকবে কিনা—তা জানতে চাইলে জিএম কাদের বলেন, যখন সময় আসবে, তখন দেখবেন।

সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের আরও বলেন, প্রথম সংসদ অধিবেশনে আমি অসন্তুষ্টির কিছু বলিনি। সংসদে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্পিকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছি, যুক্তি দিয়েছি। এখন অনেকে বলেছে, এটা বলার রেওয়াজ ছিল না। আমি বলি, রেওয়াজ মানুষের তৈরি। নতুন রেওয়াজ তৈরির জন্য মানুষই রেওয়াজ ভাঙ্গে। রেওয়াজ কোনো আইন নয়। আইন হলেও তা পরিবর্তন করা যায়। সংসদে আমি কোন অসাংবিধানিক বক্তব্য দেইনি।

জাতীয় পার্টি অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন, আমরা প্রায় ৩৪ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে রয়েছি। এর মধ্যে ২০০১ সালে সর্বশেষ ৩০০ আসনে নির্বাচন করেছি। সেই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়ায় ১৪টি আসন পেয়েছিলাম। ৩৪ বছর ক্ষমতার বাইরে থেকে আমাদের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী দলে বিরাট ধস নেমেছে—তা আমি মনে করছি না।

 

এসময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, বিগত সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে নানা কথা হয়েছিল। এবার যেন সেই প্রশ্ন না আসে, সেজন্য বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যা যা করা দরকার, তাই করবো। বঙ্গবন্ধুর মতো সংসদ নেতা থাকাকালীন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পার্লামেন্ট কাঁপিয়ে রাখতেন। বর্তমান বিরোধী দলীয় নেতা, উপনেতাসহ আমরা সবাই একাধিকবার সংসদ সদস্য ছিলাম, অনেকে মন্ত্রীও ছিলেন। তাই দেশবাসী আমাদের উপর ভরসা রাখতে পারেন। আমরা আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবো।

 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন—দলের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাসহ তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।