০৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

প্রকাশ্য দিবালোকে চাচাকে পিটিয়ে দু’পা ভেঙ্গে দেয়ার ঘটনায় ভাতিজাসহ ৭ জন গ্রেফতার

মাদারীপুরে প্রকাশ্য দিবা লোকে চাচা হোসেন সরদারকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেয়ার মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি সাইফুল সর্দারসহ  ৭জনকে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. আলাউল হাসান এর নেতৃত্বে ঢাকার ডেমরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গল বার বেলা দেড়টার দিকে মাদারীপুর জেলা পুলিশসুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্যজানান অতিরিক্ত পুলিশসুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এসময় সাত আসামিকে মাদারীপুর আদালতে প্রেরণ করাহয়। এরআগে সোমবার দুপুরে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করাহয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন কালকিনি উপজেলার লক্ষীপুর উনিয়নের দাঁতপুর গ্রামের মৃত আজিবর সর্দারের ছেলে সাইফুল সর্দার, আতাউর সর্দার, অলিল সর্দার, একই গ্রামের সেকান্দার সর্দারের ছেলে মানিক সর্দার, সদও উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের আব্দুসছালাম হাওলাদারের ছেলে রাশেদ হাওলাদার, চর খোয়াজপুর গ্রামের মান্নান সর্দারের ছেলে তুরান সর্দার ও একই গ্রামের সালাম হাওলাদারের ছেলে আপেল হাওলাদার।

সংবাদ সম্মেলনে মো. কামরুল হাসান জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে খোয়াজপুর-টেকের হাটবাজারে ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে প্রতিপক্ষ সাইফুল সরদারের নেতৃত্বে হোসেন সর্দারের ওপর হামলা চালানো হয়।এসময় প্রকাশ্যে তারা হোসেন সর্দারের দুইপা পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিনই ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করাহয়। এ ঘটনায় একটি সিসি টিভি ফুটেজ ভাইরালহয়। যেখানে ঘর থেকে বের করে পিটিয়ে দুই পা ভাঙ্গার দৃশ্য দেখাযায়। এঘটনায় ১৩ জনকে আসামি করে আহতের পরিবার একটি মামলা দায়ের করে। জেলা পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে মোট ১০ আসাসিকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার করেন। এতে ঘটনার মূলক হোতা সাইফুল সর্দারসহ তার গ্রুপের লোকজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। এছাড়া সাইফুর সর্দার ও আতাউর সর্দারের বিরুদ্ধে ৮টি করে মামলা রয়েছে।]

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান ফকির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. আলাউল হাসান, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচ এম সালাউদ্দিন প্রমুখ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশ্য দিবালোকে চাচাকে পিটিয়ে দু’পা ভেঙ্গে দেয়ার ঘটনায় ভাতিজাসহ ৭ জন গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৭:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মাদারীপুরে প্রকাশ্য দিবা লোকে চাচা হোসেন সরদারকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেয়ার মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি সাইফুল সর্দারসহ  ৭জনকে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. আলাউল হাসান এর নেতৃত্বে ঢাকার ডেমরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গল বার বেলা দেড়টার দিকে মাদারীপুর জেলা পুলিশসুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্যজানান অতিরিক্ত পুলিশসুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এসময় সাত আসামিকে মাদারীপুর আদালতে প্রেরণ করাহয়। এরআগে সোমবার দুপুরে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করাহয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন কালকিনি উপজেলার লক্ষীপুর উনিয়নের দাঁতপুর গ্রামের মৃত আজিবর সর্দারের ছেলে সাইফুল সর্দার, আতাউর সর্দার, অলিল সর্দার, একই গ্রামের সেকান্দার সর্দারের ছেলে মানিক সর্দার, সদও উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের আব্দুসছালাম হাওলাদারের ছেলে রাশেদ হাওলাদার, চর খোয়াজপুর গ্রামের মান্নান সর্দারের ছেলে তুরান সর্দার ও একই গ্রামের সালাম হাওলাদারের ছেলে আপেল হাওলাদার।

সংবাদ সম্মেলনে মো. কামরুল হাসান জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে খোয়াজপুর-টেকের হাটবাজারে ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে প্রতিপক্ষ সাইফুল সরদারের নেতৃত্বে হোসেন সর্দারের ওপর হামলা চালানো হয়।এসময় প্রকাশ্যে তারা হোসেন সর্দারের দুইপা পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিনই ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করাহয়। এ ঘটনায় একটি সিসি টিভি ফুটেজ ভাইরালহয়। যেখানে ঘর থেকে বের করে পিটিয়ে দুই পা ভাঙ্গার দৃশ্য দেখাযায়। এঘটনায় ১৩ জনকে আসামি করে আহতের পরিবার একটি মামলা দায়ের করে। জেলা পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে মোট ১০ আসাসিকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার করেন। এতে ঘটনার মূলক হোতা সাইফুল সর্দারসহ তার গ্রুপের লোকজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। এছাড়া সাইফুর সর্দার ও আতাউর সর্দারের বিরুদ্ধে ৮টি করে মামলা রয়েছে।]

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান ফকির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. আলাউল হাসান, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচ এম সালাউদ্দিন প্রমুখ।