০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

কালিয়াকৈরে ক্লুলেস হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার-২

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা ফ্লাইওভারের নিচে  অজ্ঞাতনামা একজন যুবককে দুর্বৃত্তরা ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে গত ১৮ই জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। কিন্তু এই হত্যার ঘটনায় আসামিদের সনাক্ত করার মতো কোন প্রকার প্রমাণ ছিল না। পরবর্তীতে পুলিশের চৌকসতায় ক্লুলেজ এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের গ্রেফতার করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার  দুই আসামি গ্রেফতার ও  লুন্ডিত মালামাল উদ্ধারের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন কালিয়াকৈর থানার ওসি এ এফ এম নাসিম।
গ্রেফতার কৃতরা হলেন, নওগাঁ সদর থানার  রুহুল আমিনের ছেলে মোঃ মাহাবুব হাসান ওরফে বাঁধন(৩৫) এবং গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর থানার নজল মিয়ার ছেলে  সুজন মিয়া ওরফে খোকন (৩১)।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মৌচাক তেলিরচালা এলাকার পূর্বানী গ্রুপে কর্মরত ইমরান হোসেন শান্ত (২৪) নামের এক শ্রমিক তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে যাওয়ার জন্য উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় এসে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন যুবক ছিনতাই এর উদ্দেশ্যে ইমরান হোসেন শান্তকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখম করে তার সাথে থাকা মোবাইল এবং টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়।পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমরান হোসেন শান্তকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ইমরান হোসেন শান্তর কাছে কোন প্রকার পরিচয়পত্র না থাকায় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ তার পরিচয় কোনভাবে নিশ্চিত করতে পারে নাই। সে সাথে ঠিক কি কারনে কে বা কারা শান্তকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারও কোন ক্লু বের করতে পারছিল না কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। এরই মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইমরান হোসেন শান্তর নিথর দেহের ছবি ছড়িয়ে পড়লে সিরাজগঞ্জে থাকা তার স্বজনরা কালিয়াকৈর থানায় এসে যোগাযোগ করলে পুলিশ নিহত ইমরান হোসেন শান্ত’র লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। একইদিন নিহত শান্তর চাচা দেয়ান লিখন বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে  তদন্ত শুরু করে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। পরে পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মাহবুব হাসান ওরফে বাধান ও সুজন মিয়া ওরফে খোকন দুই জনকে গ্রেফতার করে। তাদের দেওয়া তথ্য মতে হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে ।
কালিয়াকৈর থানার ওসি এ এফ এম নাসিম জানান, হত্যাকারীর ২ আসামীকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

কালিয়াকৈরে ক্লুলেস হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার-২

প্রকাশিত : ০৮:২২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা ফ্লাইওভারের নিচে  অজ্ঞাতনামা একজন যুবককে দুর্বৃত্তরা ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে গত ১৮ই জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। কিন্তু এই হত্যার ঘটনায় আসামিদের সনাক্ত করার মতো কোন প্রকার প্রমাণ ছিল না। পরবর্তীতে পুলিশের চৌকসতায় ক্লুলেজ এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের গ্রেফতার করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার  দুই আসামি গ্রেফতার ও  লুন্ডিত মালামাল উদ্ধারের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন কালিয়াকৈর থানার ওসি এ এফ এম নাসিম।
গ্রেফতার কৃতরা হলেন, নওগাঁ সদর থানার  রুহুল আমিনের ছেলে মোঃ মাহাবুব হাসান ওরফে বাঁধন(৩৫) এবং গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর থানার নজল মিয়ার ছেলে  সুজন মিয়া ওরফে খোকন (৩১)।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মৌচাক তেলিরচালা এলাকার পূর্বানী গ্রুপে কর্মরত ইমরান হোসেন শান্ত (২৪) নামের এক শ্রমিক তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে যাওয়ার জন্য উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় এসে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন যুবক ছিনতাই এর উদ্দেশ্যে ইমরান হোসেন শান্তকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখম করে তার সাথে থাকা মোবাইল এবং টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়।পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমরান হোসেন শান্তকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ইমরান হোসেন শান্তর কাছে কোন প্রকার পরিচয়পত্র না থাকায় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ তার পরিচয় কোনভাবে নিশ্চিত করতে পারে নাই। সে সাথে ঠিক কি কারনে কে বা কারা শান্তকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারও কোন ক্লু বের করতে পারছিল না কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। এরই মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইমরান হোসেন শান্তর নিথর দেহের ছবি ছড়িয়ে পড়লে সিরাজগঞ্জে থাকা তার স্বজনরা কালিয়াকৈর থানায় এসে যোগাযোগ করলে পুলিশ নিহত ইমরান হোসেন শান্ত’র লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। একইদিন নিহত শান্তর চাচা দেয়ান লিখন বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে  তদন্ত শুরু করে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। পরে পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মাহবুব হাসান ওরফে বাধান ও সুজন মিয়া ওরফে খোকন দুই জনকে গ্রেফতার করে। তাদের দেওয়া তথ্য মতে হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে ।
কালিয়াকৈর থানার ওসি এ এফ এম নাসিম জানান, হত্যাকারীর ২ আসামীকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।