০৪:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

হলের দোতলা থেকে পড়ে বাকৃবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আবাসিক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের দোতলা থেকে পড়ে বায়জিদ বোস্তামি (২২) নামে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বায়জিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের লেভেল-৪, সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী। তিনি টাঙ্গাইল জেলার মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ডি ব্লকের রেলিংয়ে বসে ফোনে কথা বলতে বলতে অন্যমনস্ক হয়ে নিচে পড়ে যায় বায়জিদ। এতে মাথায় বড় রকমের চোট পান তিনি। এ সময় তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে হলের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) নিয়ে যায়।

পরে রাত ১টার দিকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বরতচিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান খোকন ও ওই হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান খোকন বলেন, এই দুর্ঘটনার কথা তার পরিবারকে জানানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এলে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বায়জিদের মৃতদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশঘরে রাখা হয়েছে। এদিকে বায়জিদের আকস্মিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

হলের দোতলা থেকে পড়ে বাকৃবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত : ১০:১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জুলাই ২০১৮

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আবাসিক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের দোতলা থেকে পড়ে বায়জিদ বোস্তামি (২২) নামে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বায়জিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের লেভেল-৪, সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী। তিনি টাঙ্গাইল জেলার মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ডি ব্লকের রেলিংয়ে বসে ফোনে কথা বলতে বলতে অন্যমনস্ক হয়ে নিচে পড়ে যায় বায়জিদ। এতে মাথায় বড় রকমের চোট পান তিনি। এ সময় তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে হলের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) নিয়ে যায়।

পরে রাত ১টার দিকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বরতচিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান খোকন ও ওই হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান খোকন বলেন, এই দুর্ঘটনার কথা তার পরিবারকে জানানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এলে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বায়জিদের মৃতদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশঘরে রাখা হয়েছে। এদিকে বায়জিদের আকস্মিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।