০৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

বাগাতিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম সিজারিয়ান প্রসূতি মা জোসনা বেগম

  • ফজলুর রহমান
  • প্রকাশিত : ০৮:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 284

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠার ৪১ বছর পর প্রথমবারে মত হাসপাতালটিতে সিজারিয়ান অপারেশন চালু হয়েছে।

 

রবিবার সকালে জোসনা বেগম (৩২) নামের এক প্রসূতি মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে হাসপাতালটি এই নতুন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করে। অপারেশনে তার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আঃ রাজ্জাক, সহকারী সার্জন ডা. রেজাউল করিমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং নার্সদের সহযোগীতায় ওটি পরিচালনা করেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি ডা. খন্দকার মাহবুবা জান্নাত । এ্যানেসথেশিয়ায় ছিলেন ডা. মমতাজুল ইসলাম। প্রসুতি জোসনা বেগম উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের বাটিকামারী গ্রামের মহব্বত হোসেনের স্ত্রী । প্রসুতির শাশুড়ি জানান, খুব সুন্দর ভাবে অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। মা ও ছেলে দুজনেই সুস্থ্য রয়েছেন। তিনি আরো জানান বিনা পয়সায় অপারেশন করতে পেরে তারা খুবই আনন্দিত। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকার সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদও জানান।এ দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি চালুর দীর্ঘ ৪১ বছর পর প্রথমবারের মত সিজারিয়ান ওটি কার্যক্রমের চালুর খবরে এলাকাবাসীর কাছে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি ডা. খন্দকার মাহবুবা জান্নাত বলেন, এই হাসপাতালে প্রথম অপারেশন সুষ্ঠুভাবে করতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আ. রাজ্জাক বলেন, হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথম সিজারিয়ান অপারেশন চালু হওয়ার মাধ্যমে উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। এখন থেকে এই কার্যক্রম নিয়মিত চালু থাকবে বলেও তিনি জানান।তিনি অরো জানান, আগে এই উপজেলার গর্ভবতী মহিলাদের সিজারের জন্য অনেক টাকা ব্যায় করে ক্লিনিকে যেতে হতো। এতে দূর্ভোগের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হতো তাদের পরিবারকে। সরকারের বাস্তবমুখী উদ্যোগের কারণে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা এখন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবার জন্য আমরা নিরলস কাজ করছি। উল্লেখ্য ১৯৮৩ সালে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০২২ সালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়।

ট্যাগ :

ক্ষমতার পালাবদলে পুশ ইনের ঘটনা ঘটলে ব‍্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাগাতিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম সিজারিয়ান প্রসূতি মা জোসনা বেগম

প্রকাশিত : ০৮:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠার ৪১ বছর পর প্রথমবারে মত হাসপাতালটিতে সিজারিয়ান অপারেশন চালু হয়েছে।

 

রবিবার সকালে জোসনা বেগম (৩২) নামের এক প্রসূতি মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে হাসপাতালটি এই নতুন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করে। অপারেশনে তার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আঃ রাজ্জাক, সহকারী সার্জন ডা. রেজাউল করিমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং নার্সদের সহযোগীতায় ওটি পরিচালনা করেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি ডা. খন্দকার মাহবুবা জান্নাত । এ্যানেসথেশিয়ায় ছিলেন ডা. মমতাজুল ইসলাম। প্রসুতি জোসনা বেগম উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের বাটিকামারী গ্রামের মহব্বত হোসেনের স্ত্রী । প্রসুতির শাশুড়ি জানান, খুব সুন্দর ভাবে অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। মা ও ছেলে দুজনেই সুস্থ্য রয়েছেন। তিনি আরো জানান বিনা পয়সায় অপারেশন করতে পেরে তারা খুবই আনন্দিত। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকার সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদও জানান।এ দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি চালুর দীর্ঘ ৪১ বছর পর প্রথমবারের মত সিজারিয়ান ওটি কার্যক্রমের চালুর খবরে এলাকাবাসীর কাছে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি ডা. খন্দকার মাহবুবা জান্নাত বলেন, এই হাসপাতালে প্রথম অপারেশন সুষ্ঠুভাবে করতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আ. রাজ্জাক বলেন, হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথম সিজারিয়ান অপারেশন চালু হওয়ার মাধ্যমে উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। এখন থেকে এই কার্যক্রম নিয়মিত চালু থাকবে বলেও তিনি জানান।তিনি অরো জানান, আগে এই উপজেলার গর্ভবতী মহিলাদের সিজারের জন্য অনেক টাকা ব্যায় করে ক্লিনিকে যেতে হতো। এতে দূর্ভোগের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হতো তাদের পরিবারকে। সরকারের বাস্তবমুখী উদ্যোগের কারণে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা এখন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবার জন্য আমরা নিরলস কাজ করছি। উল্লেখ্য ১৯৮৩ সালে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০২২ সালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়।