মাঘ মাস শেষে এলো ফাল্গুন, প্রকৃতিতে শীতের প্রকোপ কিছুটা কমেছে, বেশ আগেভাগেই মুকুলে ছেয়ে গেছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকার আম বাগান সহ বাড়ির আঙিনার আম গাছ গুলো।
সরেজমিনে দেখা যায়, এমন ভাবে মুকুল এসেছে মুকুলের ভারে ঝুঁলে পড়েছে আম গাছের ডালপালা।
গ্রামের অনেক এলাকায় আমের বাগান রয়েছে এসব বাগানের মালিক ও ব্যবসায়ীরা ভালো ফলনের স্বপ্ন বুনছেন। সোনালী হলুদ রঙের আমের মুকুলের ঘ্রাণ বেরুচ্ছে, কোন কোন গাছে আমের মুকুল থেকে বেরিয়েছে ছোট ছোট আম গুটি। বাতাসে মৌ মৌ গন্ধ, যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধু মাসের আগমনী বার্তা দিচ্ছে আমের মুকুল। বসন্তের নানান ফুলের সঙ্গে সৌরভ ছড়াচ্ছে গাছে গাছে আমের মুকুল। সাধারণত জানুয়ারী ফেব্রুয়ারী মাসে আমের মুকুল আসে, বাংলাদেশে ওই সময়টাতে বৃষ্টিপাত হয় না এবং বাতাসের আদ্রতা কম থাকে।
পৌষে কুশি, মাঘে বোল,ফাল্গুনে গুটি, চৈত্রে আটি, বৈশাখে কাটিকুটি, জ্যৈষ্ঠে দুধের বাটি।
আমের ফুল বা কুশি আসা থেকে শুরু করে দুধ দিয়ে খাওয়ার মতো মিষ্টি হওয়ার সময়কাল নিয়ে খনার এই বচন এখন প্রায় অচল।
বৈশাখ জ্যৈষ্ঠে মাসে পাকাঁ আম পাওয়া এমনটিই বলছেন আম বাগানিরা, দেশে বিভিন্ন জাতের আম রয়েছে তার মধ্য গোবিন্দভোগ,ল্যাংড়া, হিমসাগর, ফজলি, হাঁড়িভাঙ্গা অন্যতম।
তবে এ গুলো ছাড়াও আরো রয়েছে কয়েক প্রজাতের আম।




















