নরসিংদীর রায়পুরায় তালাক দেওয়ায় স্বামীসহ স্ত্রীকে নিজে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়া সেই দগ্ধ নারী চিকিৎসক লতা আক্তার রাজধানী ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। এঘটনায় প্রাক্তন স্বামী খলিলুর রহমানও একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২দিন আগে মারা যান।
চিকিৎসক লতা আক্তারের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তার পরিবার।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের ব্রাহ্মণেরটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ওই নারীর ঘর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় তাদেরকে পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধ ওই নারী চিকিৎসা নেন। ভুক্তভোগী লতা আক্তার (৩২)জেলার রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়ন ব্রাহ্মনেরটেক গ্রামের মফিজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি ঢাকা গুলশান এলাকার শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করা চিকিৎসক। নারায়ণগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
অপর দিকে প্রাক্তন স্বামী খলিলুর রহমান (৪০)গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী পাড়া গ্রামের আতর আলী বেপারীর ছেলে।
মরজাল ইউপি সদস্য তুহিন ভূঁইয়া জানান, লতার পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানতে পারলাম আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লতা আক্তারের মৃত্যু হয়।
রায়পুরা থানার উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন বলেন, শুনেছি চিকিৎসক লতা আক্তার ঢাকায় চিকিৎসাীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। ঘটনার পর লতার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগও দেয়া হয়েছিলো।






















