১১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

রোজায় আসবে ৩৯ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ

রমজানের রোজায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ৩৯ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ বন্দরের ৩১ জন আমদানিকারককে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সকালে সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সোমির ঘোষ গনমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়- ৯ ফেব্রুয়ারি রমজান মাসে মূল্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে বৈঠক করে রমজানের আগে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির আহ্বান জানিয়েছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর এ আহবানের পর পেঁয়াজ রপ্তানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নিষেধাজ্ঞা তুলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য ৩ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। এর মধ্যে বাংলাদেশের জন্য ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দেয় দিল্লি সরকার।

উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সোমির ঘোষ বলেন, ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ আর মার্চের ৪ তারিখ পর্যন্ত সোনামসজিদ স্থলবন্দরের ৩১জন আমদানিকারক পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। তারা ৩৯ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিদিষ্ট কোন দিন ধার্য্য হয়নি। তবে রোজার আগেই সোনামসজিদ স্থল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হতে পারে।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারগুলোয় বর্তমানে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। রোজার আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলে বাজারে এ ভোগ্য পণ্যটির দাম কমবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুরাতন বাজারের এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আজিবুর রহমান বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের পর আকস্মিকভাবে দাম বেড়ে যায়। মাঝে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বাজারে সরবরাহ হওয়ায় কিছুদিনের জন্য এ নিত্য পণ্যটির দাম কমে ছিল। এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজ রকম ভেদে ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ পেঁয়াজ ব্যবসায়ী জানায়, রমজানের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হলে খুচরা বাজারে এ পণ্যের দাম হাতের নাগালে থাকবে।

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

রোজায় আসবে ৩৯ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ

প্রকাশিত : ০৯:২৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

রমজানের রোজায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ৩৯ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ বন্দরের ৩১ জন আমদানিকারককে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সকালে সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সোমির ঘোষ গনমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়- ৯ ফেব্রুয়ারি রমজান মাসে মূল্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে বৈঠক করে রমজানের আগে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির আহ্বান জানিয়েছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর এ আহবানের পর পেঁয়াজ রপ্তানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নিষেধাজ্ঞা তুলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য ৩ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। এর মধ্যে বাংলাদেশের জন্য ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দেয় দিল্লি সরকার।

উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সোমির ঘোষ বলেন, ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ আর মার্চের ৪ তারিখ পর্যন্ত সোনামসজিদ স্থলবন্দরের ৩১জন আমদানিকারক পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। তারা ৩৯ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিদিষ্ট কোন দিন ধার্য্য হয়নি। তবে রোজার আগেই সোনামসজিদ স্থল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হতে পারে।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারগুলোয় বর্তমানে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। রোজার আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলে বাজারে এ ভোগ্য পণ্যটির দাম কমবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুরাতন বাজারের এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আজিবুর রহমান বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের পর আকস্মিকভাবে দাম বেড়ে যায়। মাঝে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বাজারে সরবরাহ হওয়ায় কিছুদিনের জন্য এ নিত্য পণ্যটির দাম কমে ছিল। এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজ রকম ভেদে ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ পেঁয়াজ ব্যবসায়ী জানায়, রমজানের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হলে খুচরা বাজারে এ পণ্যের দাম হাতের নাগালে থাকবে।