জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজার রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আপিলের শুনানি ৮ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করেছে আদালত। ওই মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর কারাদণ্ড হয়।
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
শুনানি মুলতবি চেয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেয়া হয়।
খালেদা জিয়ার করা এই আপিল ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে আপিল বিভাগ নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এর পুনর্বিবেচনা চেয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আবেদন করেছেন জানিয়ে শুনানি মুলতবির এই আবেদন সোমবার করা হয়।
মুলতবির আবেদনে বলা হয়, পুনর্বিবেচনা আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি মুলতবি চাওয়া হয়। এই আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আজ আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করে আদেশ দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থ দণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। বয়স ও সামাজিক মর্যাদার কথা বিবেচনা করে আদালত তাকে এই দণ্ডাদেশ দেন। এরপর থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে পাঠানো ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই দুদক এই মামলা করে।


























