১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

পাবনায় হাত পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ ধর্ষক গ্রেফতার

পাবনার সাঁথিয়ায় হাত পা বেঁধে সংঘবদ্ধভাবে নারী ধর্ষণকান্ডের ৩ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২। গত মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার পর পৃথক দুটি অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার (২০ মার্চ) বিকেলে র‍্যাব ১২ সিপিসি ২ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. এহতেশামুল হক খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজে এসব তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সাঁথিয়া উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা আ. রহমানের ছেলে নাসির উদ্দিন (৩০), নুর ইসলামের ছেলে নুহ মোল্লা (২৮) ও নুর আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩২)।

প্রেস রিলিজে বলা হয়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সাঁথিয়ার বনগ্রাম থেকে অটোযোগে বাসায় ফিরছিলেন ২৬ বছর বয়সী এক নারী। এরপর অটো থেকে নেমে পায়ে হেঁটে বাসায় যাবার পথে চরভদ্রকোলা গ্রামের বটতলা নামক স্থান থেকে হাত মুখ বেঁধে ওই নারীকে তুলে নিয়ে যায় ধর্ষকরা। এরপর হাত পা বেঁধে ডাঙ্গার চরের একটি পটল খেতে ৩ জন পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে গেলে জ্ঞান ফেরার পর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী নারী সাঁথিয়া থানায় বাদী হয়ে একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সবশেষ গত ১৯ মার্চ রাতে পৃথক দুটি অভিযানে ধর্ষকদের গ্রেফতার করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

পাবনায় হাত পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ ধর্ষক গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৪:০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

পাবনার সাঁথিয়ায় হাত পা বেঁধে সংঘবদ্ধভাবে নারী ধর্ষণকান্ডের ৩ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২। গত মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার পর পৃথক দুটি অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার (২০ মার্চ) বিকেলে র‍্যাব ১২ সিপিসি ২ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. এহতেশামুল হক খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজে এসব তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সাঁথিয়া উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা আ. রহমানের ছেলে নাসির উদ্দিন (৩০), নুর ইসলামের ছেলে নুহ মোল্লা (২৮) ও নুর আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩২)।

প্রেস রিলিজে বলা হয়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সাঁথিয়ার বনগ্রাম থেকে অটোযোগে বাসায় ফিরছিলেন ২৬ বছর বয়সী এক নারী। এরপর অটো থেকে নেমে পায়ে হেঁটে বাসায় যাবার পথে চরভদ্রকোলা গ্রামের বটতলা নামক স্থান থেকে হাত মুখ বেঁধে ওই নারীকে তুলে নিয়ে যায় ধর্ষকরা। এরপর হাত পা বেঁধে ডাঙ্গার চরের একটি পটল খেতে ৩ জন পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে গেলে জ্ঞান ফেরার পর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী নারী সাঁথিয়া থানায় বাদী হয়ে একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সবশেষ গত ১৯ মার্চ রাতে পৃথক দুটি অভিযানে ধর্ষকদের গ্রেফতার করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে