লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলার ২নং পাটগ্রাম ইউনিয়নের কালিরহাট সীমান্ত এলাকায় জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে তিস্তা ব্যাটালিয়ন ২( বিজিবির ৬১) আয়োজনে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০শে মার্চ) বিকেলে উপজেলার পাটগ্রাম ইউনিয়নের কালিরহাট বাজারস্থ স্থানে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিজিবি।
৬১ বিজিবির কালিরহাট বিওপি মোঃ নূর হোসাইনের পরিচালনায় সভায় ২ নং পাটগ্রাম ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ গোলাম রব্বানী সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন তিস্তা ব্যাটালিয়ন ২( বিজিবির ৬১) কম্পানি কমেন্ডার জুবায়ের রহমান ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আমির হোসেন আমিন পাটগ্রাম ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড শাখা ,আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মোঃ নুর আলম পাটগ্রাম ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড শাখা ও গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ ,এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ সীমান্তে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনসাধারণ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুবায়ের রহমান বক্তব্যে বলেন, পাটগ্রাম উপজেলা দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ,এলাকাটিকে এটি সীমান্তবর্তী উপজেলা।
এখানে সীমান্ত এলাকায় কোন হত্যাকান্ড সংঘটিত হলে সে ঘটনার খবরটি অতিদ্রুত সারাদেশের মানুষ ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনে যায়। যারা দেশের বাইরে থাকেন তারাও তা জানেন।
তাই আমাদের বিজিবির অন্যতম দায়িত্ব সীমান্ত রক্ষা করা, চোরাচালান বন্ধ করা ও বিশেষত সীমান্তের ৫ মাইল তথা ৮ কিলোমিটার এর মধ্যে যেকোন আইনশৃঙ্খলা কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে কীনা তা দেখভাল করা। প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করা। সরকারের বিশেষ কিছু আইন রয়েছে এই আইনের মাধ্যমে আমাদেরকে বলপ্রয়োগের নির্দেশ দেয়া আছে। তারপরেও দেশের নাগরিক হিসেবে সবারই কতর্ব্য রয়েছে। সীমান্তে যেসব অপরাধ ঘটে তার জন্য কিন্তু আমাদের ও ওপারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে জবাবদিহি করতে হয়। এ জন্য যারা সীমান্তের শুন্যলাইন অতিক্রম করে ভারতে গিয়ে গরু চোরাকারবারের সাথে জড়িত রয়েছেন, যারা মাদকের সাথে জড়িত রয়েছে, যারা এলাকার বাড়ির গরু চোরের সাথে জরিয়ে আছেন তাদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে । সীমান্তে এসব অপরাধ দমনে বিজিবি কঠোর অবস্থানে যাবে। প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করবে। তিনি বলেন,আরো বলেন সীমান্তে যারা চোরারকারবারি, মাদক কারবারী রয়েছে তাদেরকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তাদের নাম ও পরিচয় দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। তাদের এই চোরাচালানের কাজকে সর্বত্রভাবে অসম্ভব বা কঠিন করে তুলতে হবে। এ ছাড়াও তিনির্ বক্তব্যে আরও গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।






















