লালমনিরহাটে মুসল্লিদের মাঝে বন্যা সহনশীল মসজিদ নির্মাণ ও হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে বন্যা সহনশীল কাঠের দ্বিতল বিশিষ্ট টালী টিন দ্বারা নির্মিত চোংগাদ্বারা জামে মসজিদের মুসল্লিদের মধ্যে মসজিদ হস্তান্তর করা হয়েছে। এমন ঘটনায় ওই এলাকার মুসল্লিরা আনন্দে আত্মহারা।
মুসল্লিরা জানান, একে একে ৩ বার তিস্তা নদীর বন্যার পানিতে মসজিদ ভেঙ্গে যাওয়ায় দীর্ঘদিন পাশের মাদ্রাসায় নামাজ আদায় করতে হয়েছে মুসল্লীদের। ১ শত ক্লাবের বাস্তবায়নে এস.এস.সি/২০০৩ ইং বন্ধুদের অর্থায়নে লালমনিরহাটের থানাপাড়াস্থ আপনায়নের উদ্যোগে চোংগাদ্বারা জামে মসজিদের মুসল্লিগণের সহযোগিতায় তাদের মসজিদ নির্মাণ করে দিয়েছে।
লালমনিরহাটের খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের পূর্ব কালমাটি গ্রামে এই মসজিদ হস্তান্তরের পরই এ আনন্দে আত্মহারা মুসল্লিরা। আবারও বন্যা হলেও ওই মসজিদ ভাংঙ্গবে না বলে তাদের বিশ্বাস। তবে ভাংঙ্গন দেখা দিলে মসজিদটি দ্রুত সরিয়ে ফেলা যাবে বলেন জানিয়েছে তারা। ওই দিন মুসল্লিদের মাঝে ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন করে মসজিদ হস্তান্তর করেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ।
আপনায়ন এর স্বত্বাধিকারী মোছাঃ হাছিনা বেগম জানান, গত বছর তিস্তা নদীর বন্যায় চোংগাদ্বারা জামে মসজিদসহ এলাকা ভাংঙ্গন দেখা দেয়। এতে উক্ত মসজিদটি ভেঙে যায়। আমরা জানতে পারি মুসল্লিরা কষ্ট করে অন্যত্রে নামাজ আদায় করছে। তাই আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ, মাটি ভরাট, রড, সিমেন্টের সিঁড়ি, কাঠ, প্লেনসিট, ঢালী টিন দিয়ে এ মসজিদটি নির্মাণ করে দিয়েছি।
১শত ক্লাবের সদস্য এম এ এইচ আকাশ বলেন, এর মাধ্যমে লালমনিরহাটের মুসল্লিদের জন্য বন্যা সহনশীল মসজিদ নির্মাণ করা হলো। এ উপলক্ষে লালমনিরহাটের পূর্ব কালমাটি (চোংগাদ্বারা) গ্রামে আয়োজিত মসজিদ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ।
অন্যান্যের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ. এস. এম খায়রুজ্জামান মন্ডল, ১শত ক্লাবের সদস্য এম এ এইচ আকাশ, আবু বক্কর সিদ্দিক, আপনায়ন এর স্বত্বাধিকারী হাছিনা বেগম, সাংবাদিক আবদুর রব সুজন, সাংবাদিক মোঃ মাসুদ রানা রাশেদসহ চোংগাদ্বারা জামে মসজিদের মুসল্লিগণ।






















