০৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের হামলা নতুন কিছু নয় : জিএম কাদের

জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন,মানুষের জান মালের নিরাপত্তা রক্ষা করবে এটাই সরকারের দায়িত্ব।বান্দরবানের যে ঘটনা ঘটেছে তা সরকার ব্যর্থ।থানা আক্রমণ করা হলো সেখান থেকে অস্ত্রশস্ত্র নেয়া হয়েছে।তবে দু এক দিন পর যে আবার আসবে সে ক্ষেত্রে তাদের প্রিপোরেশন আগে থেকে নেওয়া উচিত ছিল।

সরকারের কাজের ব্যাপারে কোন জবাবদিহিতা নেই দাবি করেন জিএম কাদের।তবে সরকার এ ব্যাপারে অনেক উদাসীন মনে হচ্ছে,এটা দুর্ভাগ্যজনক।পাহাড়ী এলাকায় সেনাবাহিনী-পুলিশ আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি।

রোববার(৭ এপ্রিল) বিকেলে ৭ দিনের সরকারী সফরে রংপুরে এসে সার্কিট হাউজে গার্ড অফ অনার শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

 

জি এম কাদের বলেন,পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের হামলা নতুন কিছু নয়।এর আগেও হয়েছে,সেটি আবার সমাধানও হয়েছে।কিন্তু এবারের ঘটনা একেবারেই আলাদা।ব্যাংক ডাকাতি, অপহরণ ও খুনসহ বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে।এতে সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী ব্যর্থ হয়েছে। এর দায় সরকারকে নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন,সরকারি বাহিনীর সব ধরনের সুযোগ সুবিধা আছে।কিন্তু কাজের ব্যাপারে জবাবদিহিতা নেই।যে যার ইচ্ছে মতো কাজ করছে।

দেশে গণতন্ত্র না থাকায় সাধারণ মানুষের জন্য দুঃসংবাদ বয়ে এনেছে জানিয়ে জি এম কাদের বলেন,সুষ্ঠু নির্বাচন না হওয়ায় গণতন্ত্র ভেঙেছে।মানুষ তার অধিকার হারিয়েছে।জাতীয় পার্টি চেষ্টা করছে অধিকার নিয়ে কথা বলার।কিন্তু সরকার ভেতর থেকে কলকাঠি নেড়ে দলকে দু’ভাগ করার চেষ্টা করছে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভেদ তৈরির অপচেষ্টা চলছে।জাতীয় পার্টিকে ধরে রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদেরও শক্ত অবস্থান তৈরি করার আহ্বান জানান তিনি।

জিএম কাদের বলেন,দেশে সুশাসনে অভাব দেখা গেছে।আমরা মনে করি এই সামন্য ঘটনায় যদি সরকারে হিমশিম ক্ষেতে হয় তাহলে বড় ধরনে ঘটনা ঘটলে আমরা কোথায় গিয়ে দাড়াবে।তিনি নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন সরকারের নিয়ন্ত্রণের দলগুলো।আর সরকারের জব্বাদিহিতা নেই।জবাদিহিতা থাকে না হলে সেখানে গনতন্ত্র নেই,একথায় নির্বাচন সঠিক ভাবে হয় না।

জিএম কাদের বলেন,সেনা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতে আছে চৌকি আছে।আমাদের কথা হলো যে মাঝখানে অল্প সময়ের জন্য নয়,দীর্ঘ সময়ের একটা কাজ হচ্ছে।বিভিন্ন ভাবে ব্যাংক লুট করা হলো অপহরণ করা হলো।

জিএম কাদের বলেন, পাহাড়ে এত নিরাপত্তা বেষ্টনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের চৌকি  থাকার পরও দীর্ঘসময় ধরে ব্যাংক ডাকাতির মত ঘটনা ঘটিয়েছে কেএনএফ। যা স্পষ্টই  প্রশাসনের উদাসিনতা। বাহিনীর সদস্যদের শুধু যাকজমক ও সুযোগ সুবিধা থাকলেও জবাবদিহিতা না থাকায় এরকম ঘটনা ঘটেছে। এই ছোট ঘটনায় সরকারকে যেভাবে হিমসিম খেতে হয়েছে। তাই এখনই বিষয়গুলো নিয়ে ভাববার রয়েছে। না হলে আরো বড় কোন ঘটনায় হিমসীম খেতে হবে সরকারকে বলে মনে করেন তিনি।

এসময় জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ভিপি আলাউদ্দিন মিয়া, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক এস এস ইয়াসিরসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের হামলা নতুন কিছু নয় : জিএম কাদের

প্রকাশিত : ০৮:২২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪

জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন,মানুষের জান মালের নিরাপত্তা রক্ষা করবে এটাই সরকারের দায়িত্ব।বান্দরবানের যে ঘটনা ঘটেছে তা সরকার ব্যর্থ।থানা আক্রমণ করা হলো সেখান থেকে অস্ত্রশস্ত্র নেয়া হয়েছে।তবে দু এক দিন পর যে আবার আসবে সে ক্ষেত্রে তাদের প্রিপোরেশন আগে থেকে নেওয়া উচিত ছিল।

সরকারের কাজের ব্যাপারে কোন জবাবদিহিতা নেই দাবি করেন জিএম কাদের।তবে সরকার এ ব্যাপারে অনেক উদাসীন মনে হচ্ছে,এটা দুর্ভাগ্যজনক।পাহাড়ী এলাকায় সেনাবাহিনী-পুলিশ আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি।

রোববার(৭ এপ্রিল) বিকেলে ৭ দিনের সরকারী সফরে রংপুরে এসে সার্কিট হাউজে গার্ড অফ অনার শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

 

জি এম কাদের বলেন,পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের হামলা নতুন কিছু নয়।এর আগেও হয়েছে,সেটি আবার সমাধানও হয়েছে।কিন্তু এবারের ঘটনা একেবারেই আলাদা।ব্যাংক ডাকাতি, অপহরণ ও খুনসহ বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে।এতে সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী ব্যর্থ হয়েছে। এর দায় সরকারকে নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন,সরকারি বাহিনীর সব ধরনের সুযোগ সুবিধা আছে।কিন্তু কাজের ব্যাপারে জবাবদিহিতা নেই।যে যার ইচ্ছে মতো কাজ করছে।

দেশে গণতন্ত্র না থাকায় সাধারণ মানুষের জন্য দুঃসংবাদ বয়ে এনেছে জানিয়ে জি এম কাদের বলেন,সুষ্ঠু নির্বাচন না হওয়ায় গণতন্ত্র ভেঙেছে।মানুষ তার অধিকার হারিয়েছে।জাতীয় পার্টি চেষ্টা করছে অধিকার নিয়ে কথা বলার।কিন্তু সরকার ভেতর থেকে কলকাঠি নেড়ে দলকে দু’ভাগ করার চেষ্টা করছে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভেদ তৈরির অপচেষ্টা চলছে।জাতীয় পার্টিকে ধরে রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদেরও শক্ত অবস্থান তৈরি করার আহ্বান জানান তিনি।

জিএম কাদের বলেন,দেশে সুশাসনে অভাব দেখা গেছে।আমরা মনে করি এই সামন্য ঘটনায় যদি সরকারে হিমশিম ক্ষেতে হয় তাহলে বড় ধরনে ঘটনা ঘটলে আমরা কোথায় গিয়ে দাড়াবে।তিনি নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন সরকারের নিয়ন্ত্রণের দলগুলো।আর সরকারের জব্বাদিহিতা নেই।জবাদিহিতা থাকে না হলে সেখানে গনতন্ত্র নেই,একথায় নির্বাচন সঠিক ভাবে হয় না।

জিএম কাদের বলেন,সেনা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতে আছে চৌকি আছে।আমাদের কথা হলো যে মাঝখানে অল্প সময়ের জন্য নয়,দীর্ঘ সময়ের একটা কাজ হচ্ছে।বিভিন্ন ভাবে ব্যাংক লুট করা হলো অপহরণ করা হলো।

জিএম কাদের বলেন, পাহাড়ে এত নিরাপত্তা বেষ্টনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের চৌকি  থাকার পরও দীর্ঘসময় ধরে ব্যাংক ডাকাতির মত ঘটনা ঘটিয়েছে কেএনএফ। যা স্পষ্টই  প্রশাসনের উদাসিনতা। বাহিনীর সদস্যদের শুধু যাকজমক ও সুযোগ সুবিধা থাকলেও জবাবদিহিতা না থাকায় এরকম ঘটনা ঘটেছে। এই ছোট ঘটনায় সরকারকে যেভাবে হিমসিম খেতে হয়েছে। তাই এখনই বিষয়গুলো নিয়ে ভাববার রয়েছে। না হলে আরো বড় কোন ঘটনায় হিমসীম খেতে হবে সরকারকে বলে মনে করেন তিনি।

এসময় জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ভিপি আলাউদ্দিন মিয়া, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক এস এস ইয়াসিরসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।