তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে পাবনা। ভ্যাপসা গরম ও প্রচন্ড রোদে জনজীবন বিপর্যস্ত। হাসপাতালে বাড়ছে গরমজনিত নানা রোগাক্রান্ত বয়স্ক ও শিশু রোগীর সংখ্যা। পাবনায় আজ বুধবার সর্বোচ্চ ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের সহকারী পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, সম্প্রতি পাবনার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বুধবার বিকেল ৩টায় রেকর্ডকৃত তাপমাত্রা ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ মৌসুমে পাবনার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এর আগে ৬ এপ্রিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিলো। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে।
এদিকে তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে জনজীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শ্রমজীবীরা পড়েছেবেশি বিপদে। গরমের দাপটে বাইরে বের হতে পারছেন না তারা। প্রচন্ড রোদ আর তাপে পিচঢালা রাস্তায় উত্তাপ বেড়েছে অধিক। এর ফলে দুপুর থেকে ভ্যান, রিকশা ও অটোবাইকসহ বিভিন্ন যান চলাচলও রাস্তায় কম দেখা যাচ্ছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছেন কেউই। এদিকে পাবনার বিভিন্ন হাসপাতালে বেড়েছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগীর সংখ্যা। পাবনা জেনারেল হাসলাতাল ঘুরে দেখা গেছে, এ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর ব্যাপক চাপ। সিটের তুলনায় রোগী কয়েক গুণ বেশি হওয়ায় বারান্দায়ও বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। শিশু ও বয়স্করা গরমে আরো বেশি অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। এদিকে অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
প্রসঙ্গত গতবছর পাবনায় তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে বিভিন্ন রাস্তার পিচ গলে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছিলো। বিভিন্ন মাঠে সবুজ ফসল পুড়ে গিয়েছিলো। ওই বছরে পাবনার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪৩ ডিগ্রিতে উঠেছিলো। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে পাবনার বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ নামাজও আদায় করা হয়েছিলো।
বিজনেস বাংলাদেশ/একে






















