০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সচল

  • ইশরাত লিটন
  • প্রকাশিত : ০৪:৫০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৪
  • 107

বর্তমান পরিস্থিতিতেও পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের স্বাভাবিক অপারেশনাল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলমান রয়েছে। জেটিতে চলছে সব ধরনের পণ্য খালাস কার্যক্রম। বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ও পিপিএফটি এলাকায় নিরাপত্তাকর্মী ও আনসারের পাশাপাশি ৪২ নৌ কনটিনজেন্ট সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী।

তিনি জানান, আজ বন্দরে ২৪ হাজার মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে এমভি এন্টি গনি ফোর্স নামে একটি জাহাজ ভিড়বে। এছাড়া জুলাই মাসে পায়রা বন্দরে এসেছে ১২টি জাহাজ। আর আগস্টে এ পর্যন্ত ৫টি বিদেশি জাহাজ ভিড়েছে। এতে রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৪০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে বন্দরের কেপিটাল ড্রেজিং কাজ শেষ হয়েছে। এখন মেইন্টেনেন্স ড্রেজিং করতে পারলে বন্দরের কার্যক্রম সফলভাবে চালানো সম্ভব হবে।আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, দেশে যখন উদ্ভূত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিলো তখনও আমরা বন্দরের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এখনো বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরে প্রায় ১২০০ শ্রমিক নির্মাণ কাজ করছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নতুন বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আনছে আইসিসি

পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সচল

প্রকাশিত : ০৪:৫০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৪

বর্তমান পরিস্থিতিতেও পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের স্বাভাবিক অপারেশনাল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলমান রয়েছে। জেটিতে চলছে সব ধরনের পণ্য খালাস কার্যক্রম। বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ও পিপিএফটি এলাকায় নিরাপত্তাকর্মী ও আনসারের পাশাপাশি ৪২ নৌ কনটিনজেন্ট সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী।

তিনি জানান, আজ বন্দরে ২৪ হাজার মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে এমভি এন্টি গনি ফোর্স নামে একটি জাহাজ ভিড়বে। এছাড়া জুলাই মাসে পায়রা বন্দরে এসেছে ১২টি জাহাজ। আর আগস্টে এ পর্যন্ত ৫টি বিদেশি জাহাজ ভিড়েছে। এতে রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৪০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে বন্দরের কেপিটাল ড্রেজিং কাজ শেষ হয়েছে। এখন মেইন্টেনেন্স ড্রেজিং করতে পারলে বন্দরের কার্যক্রম সফলভাবে চালানো সম্ভব হবে।আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, দেশে যখন উদ্ভূত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিলো তখনও আমরা বন্দরের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এখনো বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরে প্রায় ১২০০ শ্রমিক নির্মাণ কাজ করছেন।