০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

লালমনিরহাটে দুধ দিয়ে গোসল করে ক্যাসিনো ছাড়লো যুবক

জীবন ধ্বংস করা ক্যাসিনো জুয়া ছাড়তে দুধ দিয়ে গোসল করে প্রতিজ্ঞা করলো জহিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক জুয়াড়ি। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের কেতকীবাড়ি গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে সড়কে গোসল করেন তিনি। তিনি ওই গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

অনলাইন জুয়া ছাড়ার শপথ নিতে এক বালতি দুধে গোসল করেন জহিরুল ইসলাম। যারা যারা ক্যাসিনো সহ বিভিন্ন ধরনের অনলাইন জুয়ায় আসক্ত তারা যেন জীবন ধ্বংন করার মত জুয়া খেলা থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। জাহিরুল ইসলাম বলেন, গত এক বছরে আমি প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা হারিয়েছি জুয়ার আসরে। এতে আমার ব্যবসা শখের মোটর সাইকেল সবে বিক্র করতে হয়েছে। এখন প্রায় নিশ্ব আমি। শুধু অর্থ সম্পদই নষ্ট হয়নি, সংসারেও অশান্তি চলে এসেছিল।তাই দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়েছি। আজকের পর থেকে আর জুয়ার আসরে না জড়াতে প্রতিজ্ঞা করেছি। একই সাথে যারা জুয়ায় আসক্ত হয়েছেন বা হতে যাচ্ছেন তারা যেন মরণ নেশা থেকে বেড়িয়ে আসেন। এখানে লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমান অনেক বেশি।

জহিরুলের বাবা আবুল কাশেম বলেন, ছেলে জুয়ায় আসক্ত হয়ে সব কিছু হারিয়েছে। এখন নিজে থেকে জুয়া ছাড়তে প্রতিজ্ঞা করেছে শুনে খুশি লাগছে। ছেলের মঙ্গলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

লালমনিরহাটে দুধ দিয়ে গোসল করে ক্যাসিনো ছাড়লো যুবক

প্রকাশিত : ০৭:৩৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪

জীবন ধ্বংস করা ক্যাসিনো জুয়া ছাড়তে দুধ দিয়ে গোসল করে প্রতিজ্ঞা করলো জহিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক জুয়াড়ি। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের কেতকীবাড়ি গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে সড়কে গোসল করেন তিনি। তিনি ওই গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

অনলাইন জুয়া ছাড়ার শপথ নিতে এক বালতি দুধে গোসল করেন জহিরুল ইসলাম। যারা যারা ক্যাসিনো সহ বিভিন্ন ধরনের অনলাইন জুয়ায় আসক্ত তারা যেন জীবন ধ্বংন করার মত জুয়া খেলা থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। জাহিরুল ইসলাম বলেন, গত এক বছরে আমি প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা হারিয়েছি জুয়ার আসরে। এতে আমার ব্যবসা শখের মোটর সাইকেল সবে বিক্র করতে হয়েছে। এখন প্রায় নিশ্ব আমি। শুধু অর্থ সম্পদই নষ্ট হয়নি, সংসারেও অশান্তি চলে এসেছিল।তাই দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়েছি। আজকের পর থেকে আর জুয়ার আসরে না জড়াতে প্রতিজ্ঞা করেছি। একই সাথে যারা জুয়ায় আসক্ত হয়েছেন বা হতে যাচ্ছেন তারা যেন মরণ নেশা থেকে বেড়িয়ে আসেন। এখানে লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমান অনেক বেশি।

জহিরুলের বাবা আবুল কাশেম বলেন, ছেলে জুয়ায় আসক্ত হয়ে সব কিছু হারিয়েছে। এখন নিজে থেকে জুয়া ছাড়তে প্রতিজ্ঞা করেছে শুনে খুশি লাগছে। ছেলের মঙ্গলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চান তিনি।