০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পিছিয়েছে

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আবারও পিছিয়ে গেলো। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৫৮ বারের মতো পেছালো।

মঙ্গলবার মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক নতুন এ দিন ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন।

সাগর-রুনি খুন হওয়ার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)।

চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পিছিয়েছে

প্রকাশিত : ১২:১৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আবারও পিছিয়ে গেলো। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৫৮ বারের মতো পেছালো।

মঙ্গলবার মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক নতুন এ দিন ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন।

সাগর-রুনি খুন হওয়ার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)।

চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।