০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রাইজমানি ঘোষণা

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি করাচিতে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে নবম আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির। হাইব্রিড মডেলের এই টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৯ মার্চ। এর আগে, আসরে চ্যাম্পিয়নসহ বাকি অবস্থানে থাকা দলগুলোর জন্য প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আইসিসি। সবশেষ আসরের তুলনায় প্রাইজমানি বেড়েছে শতকরা ৫৩ ভাগ, ডলারের অঙ্কে যা দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৯ মিলিয়ন।

আসরের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। সঙ্গে তাদেরকে দেয়া হবে একটি ট্রফি। রানার্সআপ দল পাবে ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার। সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়া দুই দলকে দেয়া হবে ৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার করে।

পঞ্চম ও ষষ্ঠ অবস্থানে শেষ করা দল দুটি পাবে সাড়ে ৩ লাখ ডলার করে। সেইসাথে সপ্তম ও অষ্টম স্থানে থাকা প্রতিটা দলকে দেয়া হবে ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

গ্রুপ পর্বে প্রতি ম্যাচে জয়ের জন্য দলগুলোকে দেয়া হবে ৩৪ হাজার ডলার করে।

আসরের চ্যাম্পিয়ন দল সব মিলিয়ে প্রায় ৩২ কোটি টাকার মতো প্রাইজমানি পাবে। অপরদিকে, কোনো দল যদি টুর্নামেন্টে একটিও ম্যাচ না জিতে বাড়ি ফিরে আসে, তবুও অংশগ্রহণ ফি ও টুর্নামেন্টের সপ্তম ও অষ্টম অবস্থানের জন্য ঘোষিত প্রাইজমানি মিলিয়ে তারা ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার প্রাইজমানি পাবে।

উল্লেখ্য, হাইব্রিড মডেল হওয়ায় সেমিফাইনাল ও ফাইনালের ভেন্যুর পরিবর্তনও আসতে পারে। ভারত যদি ফাইনালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় তাহলে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ দুবাইয়ে না হয়ে অনুষ্ঠিত হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে।

ডিএস..

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বর-কনেসহ নিহত এক পরিবারের ৯ জনের দাফন সম্পন্ন

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রাইজমানি ঘোষণা

প্রকাশিত : ০১:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি করাচিতে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে নবম আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির। হাইব্রিড মডেলের এই টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৯ মার্চ। এর আগে, আসরে চ্যাম্পিয়নসহ বাকি অবস্থানে থাকা দলগুলোর জন্য প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আইসিসি। সবশেষ আসরের তুলনায় প্রাইজমানি বেড়েছে শতকরা ৫৩ ভাগ, ডলারের অঙ্কে যা দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৯ মিলিয়ন।

আসরের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। সঙ্গে তাদেরকে দেয়া হবে একটি ট্রফি। রানার্সআপ দল পাবে ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার। সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়া দুই দলকে দেয়া হবে ৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার করে।

পঞ্চম ও ষষ্ঠ অবস্থানে শেষ করা দল দুটি পাবে সাড়ে ৩ লাখ ডলার করে। সেইসাথে সপ্তম ও অষ্টম স্থানে থাকা প্রতিটা দলকে দেয়া হবে ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

গ্রুপ পর্বে প্রতি ম্যাচে জয়ের জন্য দলগুলোকে দেয়া হবে ৩৪ হাজার ডলার করে।

আসরের চ্যাম্পিয়ন দল সব মিলিয়ে প্রায় ৩২ কোটি টাকার মতো প্রাইজমানি পাবে। অপরদিকে, কোনো দল যদি টুর্নামেন্টে একটিও ম্যাচ না জিতে বাড়ি ফিরে আসে, তবুও অংশগ্রহণ ফি ও টুর্নামেন্টের সপ্তম ও অষ্টম অবস্থানের জন্য ঘোষিত প্রাইজমানি মিলিয়ে তারা ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার প্রাইজমানি পাবে।

উল্লেখ্য, হাইব্রিড মডেল হওয়ায় সেমিফাইনাল ও ফাইনালের ভেন্যুর পরিবর্তনও আসতে পারে। ভারত যদি ফাইনালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় তাহলে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ দুবাইয়ে না হয়ে অনুষ্ঠিত হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে।

ডিএস..