০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

কুমিল্লায় তিতাস উপজেলার জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার বাতাকান্দি-আসমানিয়া বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- তিতাস উপজেলার উত্তর মানিকনগর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে আল-আমিন কাউসার (৩০) ও বুড়িচং উপজেলার কংশনগর গ্রামের চরেরপাড় গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে এরশাদ (৩২)।

ডিবির এসআই শাহ কামাল আকন্দ বলেন, গভীর রাতে বাতাকান্দি-আসমানিয়া বাজার সড়কের নারায়ণপুর কবরস্থানের সামনের রাস্তায় ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে ডিবির একটি টিম রাতে সেখানে পৌঁছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পুলিশের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ও ইট-পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সাত ডাকাতকে আটক করা হয়।

এদের মধ্যে মাথায় গুলিবিব্ধ অবস্থায় আল-আমিন ও এরশাদকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ার পর চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় তৈরি এলজি, চার রাউন্ড কার্তুজ, তিনটি ছোরা, সাতটি মুখোশ ও দুটি লোহার রডের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক অপর ডাকাতরা হলেন- জেলার সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসনের ছেলের আরঙ্গজেব (৫০), সদর দক্ষিণ উপজেলার মিলন (৩৫), একই উপজেলার নাছির (২৭), তিতাসের শরীফুল (২৯) এবং মুরাদনগর উপজেলার আবু মিয়া (৪০)।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

প্রকাশিত : ১১:৪৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুলাই ২০১৮

কুমিল্লায় তিতাস উপজেলার জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার বাতাকান্দি-আসমানিয়া বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- তিতাস উপজেলার উত্তর মানিকনগর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে আল-আমিন কাউসার (৩০) ও বুড়িচং উপজেলার কংশনগর গ্রামের চরেরপাড় গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে এরশাদ (৩২)।

ডিবির এসআই শাহ কামাল আকন্দ বলেন, গভীর রাতে বাতাকান্দি-আসমানিয়া বাজার সড়কের নারায়ণপুর কবরস্থানের সামনের রাস্তায় ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে ডিবির একটি টিম রাতে সেখানে পৌঁছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পুলিশের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ও ইট-পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সাত ডাকাতকে আটক করা হয়।

এদের মধ্যে মাথায় গুলিবিব্ধ অবস্থায় আল-আমিন ও এরশাদকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ার পর চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় তৈরি এলজি, চার রাউন্ড কার্তুজ, তিনটি ছোরা, সাতটি মুখোশ ও দুটি লোহার রডের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক অপর ডাকাতরা হলেন- জেলার সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসনের ছেলের আরঙ্গজেব (৫০), সদর দক্ষিণ উপজেলার মিলন (৩৫), একই উপজেলার নাছির (২৭), তিতাসের শরীফুল (২৯) এবং মুরাদনগর উপজেলার আবু মিয়া (৪০)।