০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আবাসন সংকট নিরসনে চবি ছাত্রদলের স্মারকলিপি প্রদান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বৈষমহীন নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনিমার্ণ, শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন ও আবাসন ভাতা প্রদানসহ ৫ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ( চবি) শাখা ছাত্রদল।

রবিবার (১৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহ্ইয়া আখতারের কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠার লগ্নে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন সুবিধা চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা বর্তমান প্রায় ৩০,০০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে মাত্র ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য। বাকি ৮২ শতাংশ শিক্ষার্থী চরম নিরাপত্তাহীনতা, উচ্চ ভাড়া, অপর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করতে হচ্ছে। এছাড়াও শহরে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য মূল্যবান সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। এতে করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সার্বিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। যা শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার ক্ষেত্রে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভার ফেলে।

স্মারকলিপিতে উল্লিখিত দাবিগুলো হলো- শতভাগ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসনের নিশ্চয়তা দিতে দীর্ঘমেয়াদে নতুন হল নির্মাণ, স্বল্পমেয়াদে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক আবাসন ভাতা চালু, পুরাতন হলগুলোর সংস্কার ও ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, শহিদ ফরহাদ হোসেন ও অতীশ দীপঙ্কর হলে বৈধভাবে আসন বরাদ্দ পেয়েও স্থগিতদের দ্রুত হলে উঠানো এবং প্রশাসনিক দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, নিরাপদ ক্যাম্পাস এবং উপযুক্ত আবাসন নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। আমরা আশা করি, প্রশাসন দ্রুত আমাদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপ নেবে।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থী ভাইবোনেরা দিনের পর দিন আবাসিক সংকটে ভুগছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ আবাসিক হওয়ার কথা ছিল। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নতুন হল নিমার্ণের উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন করবে। এছাড়া নতুন হল নিমার্ণ না হওয়া পর্যন্ত অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতা দিতে হবে।”

ডিএস./

ট্যাগ :

মোস্তাফিজের ৯ কোটি আর আইসিসির ক্ষতি ৬ হাজার কোটি!

আবাসন সংকট নিরসনে চবি ছাত্রদলের স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশিত : ০১:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বৈষমহীন নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনিমার্ণ, শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন ও আবাসন ভাতা প্রদানসহ ৫ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ( চবি) শাখা ছাত্রদল।

রবিবার (১৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহ্ইয়া আখতারের কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠার লগ্নে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন সুবিধা চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা বর্তমান প্রায় ৩০,০০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে মাত্র ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য। বাকি ৮২ শতাংশ শিক্ষার্থী চরম নিরাপত্তাহীনতা, উচ্চ ভাড়া, অপর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করতে হচ্ছে। এছাড়াও শহরে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য মূল্যবান সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। এতে করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সার্বিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। যা শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার ক্ষেত্রে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভার ফেলে।

স্মারকলিপিতে উল্লিখিত দাবিগুলো হলো- শতভাগ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসনের নিশ্চয়তা দিতে দীর্ঘমেয়াদে নতুন হল নির্মাণ, স্বল্পমেয়াদে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক আবাসন ভাতা চালু, পুরাতন হলগুলোর সংস্কার ও ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, শহিদ ফরহাদ হোসেন ও অতীশ দীপঙ্কর হলে বৈধভাবে আসন বরাদ্দ পেয়েও স্থগিতদের দ্রুত হলে উঠানো এবং প্রশাসনিক দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, নিরাপদ ক্যাম্পাস এবং উপযুক্ত আবাসন নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। আমরা আশা করি, প্রশাসন দ্রুত আমাদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপ নেবে।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থী ভাইবোনেরা দিনের পর দিন আবাসিক সংকটে ভুগছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ আবাসিক হওয়ার কথা ছিল। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নতুন হল নিমার্ণের উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন করবে। এছাড়া নতুন হল নিমার্ণ না হওয়া পর্যন্ত অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতা দিতে হবে।”

ডিএস./