১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকারি কোষাগারে নয়, নগদেই হয় জরিমানা ,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ট্রাফিক পুলিশের নামে চলছে নগদে জরিমানা আদায়ের গোপন এক খেলা! চালকরা বলছেন, আটক করার পর কাগজের স্লিপ ধরিয়ে ট্রাফিক অফিসে পাঠানো হয়, আর সেখানেই শুরু হয় ‘ডিল’।“নগদ দেবেন, না ব্যাংকে?”—প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে চালকদের কাছ থেকে নগদ টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছেন কর্মকর্তারা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসব জরিমানা জমা পড়ার কথা ছিল শুধু মাত্র ব্যাংকের মাধ্যমে। কিন্তু এই কর্মে নেই কোনো রশিদ, নেই কোনো অফিসিয়াল স্লিপ! এ ব্যাপারে সিএনজি চালক জাবেদ মিয়া বলেন, গাড়ি আটক করার পর ট্রাফিক পুলিশ একটি কাগজ দেয়। ওই কাগজ নিয়ে ট্রাফিক অফিসে গিয়ে বড় স্যারের কাছে স্লিপটা দিলে বলে মামলা দিয়েছি, ভিতরে যান। ভিতরের রুমে গেলে একজন ক্যাশিয়ার বলেন, জরিমানা তো হয়ে হয়ে গেছে, নগদে দিবেন না ব্যাংকে দিবেন? নগদ বললেই সঙ্গে সঙ্গে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছে, কিন্তু এতে কোনো ধরনের স্লিপ দেওয়া হচ্ছে না।

আরেক চালক বকুল ও পলাশের ভাষায়, “থানায় গেলেই ভিতরে নিয়ে বলে জরিমানা হয়েছে, নগদ দেন, গাড়ি নিয়ে যান। আমরা ভয়ে ঝামেলা এড়ানোর ভয়ে নগদ দিয়ে দেই।” এ ব্যাপারে সিএনজি মালিক সমিতির সেক্রেটারি শাহজাহান মিয়া জানালেন, “ নগদ নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। শহরে সিএনজি বিশেষ জরুরি কোন প্রয়োজনে প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু স্ট্যান্ড বানিয়ে যাত্রী তোলা সম্পূর্ণ অনিয়ম।”

শুধু জরিমানা নয়, ট্রাফিক আইন ভেঙে ভারি যানবাহন শহরে ঢুকছে দিনের বেলাতেই। নিয়ম অনুযায়ী রাত ৯ টার পর এসব গাড়ি প্রবেশ করতে পারলেও, অভিযোগ রয়েছে ঘুষ দিয়েই দিনের আলোতে শহরে ঢুকছে তারা।

ফলে শহরের পুরো রাস্তা জ্যামে হয়ে পড়ে অচল, আর এদিকে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ।ভুক্তভোগীরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে সরকার হারাবে তার রাজস্ব, আর শহর হারাবে তার শৃঙ্খলা।এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মীর আনোয়ারের সঙ্গে, কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ডিএস..

ট্যাগ :

২০ বছর পর বরিশাল যাচ্ছেন তারেক রহমান

সরকারি কোষাগারে নয়, নগদেই হয় জরিমানা ,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৬:০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ট্রাফিক পুলিশের নামে চলছে নগদে জরিমানা আদায়ের গোপন এক খেলা! চালকরা বলছেন, আটক করার পর কাগজের স্লিপ ধরিয়ে ট্রাফিক অফিসে পাঠানো হয়, আর সেখানেই শুরু হয় ‘ডিল’।“নগদ দেবেন, না ব্যাংকে?”—প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে চালকদের কাছ থেকে নগদ টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছেন কর্মকর্তারা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসব জরিমানা জমা পড়ার কথা ছিল শুধু মাত্র ব্যাংকের মাধ্যমে। কিন্তু এই কর্মে নেই কোনো রশিদ, নেই কোনো অফিসিয়াল স্লিপ! এ ব্যাপারে সিএনজি চালক জাবেদ মিয়া বলেন, গাড়ি আটক করার পর ট্রাফিক পুলিশ একটি কাগজ দেয়। ওই কাগজ নিয়ে ট্রাফিক অফিসে গিয়ে বড় স্যারের কাছে স্লিপটা দিলে বলে মামলা দিয়েছি, ভিতরে যান। ভিতরের রুমে গেলে একজন ক্যাশিয়ার বলেন, জরিমানা তো হয়ে হয়ে গেছে, নগদে দিবেন না ব্যাংকে দিবেন? নগদ বললেই সঙ্গে সঙ্গে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছে, কিন্তু এতে কোনো ধরনের স্লিপ দেওয়া হচ্ছে না।

আরেক চালক বকুল ও পলাশের ভাষায়, “থানায় গেলেই ভিতরে নিয়ে বলে জরিমানা হয়েছে, নগদ দেন, গাড়ি নিয়ে যান। আমরা ভয়ে ঝামেলা এড়ানোর ভয়ে নগদ দিয়ে দেই।” এ ব্যাপারে সিএনজি মালিক সমিতির সেক্রেটারি শাহজাহান মিয়া জানালেন, “ নগদ নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। শহরে সিএনজি বিশেষ জরুরি কোন প্রয়োজনে প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু স্ট্যান্ড বানিয়ে যাত্রী তোলা সম্পূর্ণ অনিয়ম।”

শুধু জরিমানা নয়, ট্রাফিক আইন ভেঙে ভারি যানবাহন শহরে ঢুকছে দিনের বেলাতেই। নিয়ম অনুযায়ী রাত ৯ টার পর এসব গাড়ি প্রবেশ করতে পারলেও, অভিযোগ রয়েছে ঘুষ দিয়েই দিনের আলোতে শহরে ঢুকছে তারা।

ফলে শহরের পুরো রাস্তা জ্যামে হয়ে পড়ে অচল, আর এদিকে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ।ভুক্তভোগীরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে সরকার হারাবে তার রাজস্ব, আর শহর হারাবে তার শৃঙ্খলা।এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মীর আনোয়ারের সঙ্গে, কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ডিএস..