১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
‘তারা ইজারা দেয়, আর আমরা কাতর হয়ে বলি, এটা আমাদের দেন’

নিজ মন্ত্রণালয় নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

নিজের মন্ত্রণালয় নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে স্থানীয় জেলে সম্প্রদায় ও বাঁওড় মৎস্যজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় হাওড়-বাঁওড়ের সমস্যা নিয়ে এ অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন।

উপদেষ্টা বলেন, আমি খুব অবাক হই। আমার নিজের মন্ত্রণালয় হিসেবে আমাদের খুব অসহায় লাগে আপনাদের মতোই। আমরা জেলেদের মন্ত্রণালয়। কিন্তু যেখান থেকে জেলেরা জীবন-জীবিকা চালান, সেই হাওর-বাঁওড় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তারা হাওড়-বাঁওড় ইজারা দেয় আর আমরা তখন কাতর হয়ে বলি এটা আমাদের দেন। এটা খুবই দুঃখজনক।

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, জাল যার জলা তার— এই নীতি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করব। তরুণ প্রজন্ম আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে। এই প্রজন্মই সমাজের সব বৈষম্য দূর করবে। প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মধ্যে বাঁওড়ের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমি ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সব দপ্তরে কথা বলব। বাঁওড়পাড়ের বাসিন্দাদের কাছে বাঁওড়ের প্রকৃত মালিকানা ফিরিয়ে দিয়ে তাদের দুঃখদুর্দশা দূর করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এর আগে সকালে উপদেষ্টা উপজেলার বলুহর বাঁওড় পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল, খেতমজুর সমিতির সভাপতি ফজলুর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনসহ অন্য কর্মকর্তারা।

ডিএস,.

 

ট্যাগ :

২০ বছর পর বরিশাল যাচ্ছেন তারেক রহমান

‘তারা ইজারা দেয়, আর আমরা কাতর হয়ে বলি, এটা আমাদের দেন’

নিজ মন্ত্রণালয় নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ০৬:৩৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

নিজের মন্ত্রণালয় নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে স্থানীয় জেলে সম্প্রদায় ও বাঁওড় মৎস্যজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় হাওড়-বাঁওড়ের সমস্যা নিয়ে এ অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন।

উপদেষ্টা বলেন, আমি খুব অবাক হই। আমার নিজের মন্ত্রণালয় হিসেবে আমাদের খুব অসহায় লাগে আপনাদের মতোই। আমরা জেলেদের মন্ত্রণালয়। কিন্তু যেখান থেকে জেলেরা জীবন-জীবিকা চালান, সেই হাওর-বাঁওড় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তারা হাওড়-বাঁওড় ইজারা দেয় আর আমরা তখন কাতর হয়ে বলি এটা আমাদের দেন। এটা খুবই দুঃখজনক।

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, জাল যার জলা তার— এই নীতি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করব। তরুণ প্রজন্ম আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে। এই প্রজন্মই সমাজের সব বৈষম্য দূর করবে। প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মধ্যে বাঁওড়ের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমি ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সব দপ্তরে কথা বলব। বাঁওড়পাড়ের বাসিন্দাদের কাছে বাঁওড়ের প্রকৃত মালিকানা ফিরিয়ে দিয়ে তাদের দুঃখদুর্দশা দূর করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এর আগে সকালে উপদেষ্টা উপজেলার বলুহর বাঁওড় পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল, খেতমজুর সমিতির সভাপতি ফজলুর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনসহ অন্য কর্মকর্তারা।

ডিএস,.