০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীতে পানিবন্দি ৬৪ হাজার পরিবার, প্রস্তুত ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র

নোয়াখালীতে টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৬৩ হাজার ৮৬০টি পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তবে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ভোর থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে।

ইতোমধ্যে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৬৮ পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি পানিতে ডুবে গেছে গ্রামের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠ।

সদর উপজেলার বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, ভারী বর্ষণের ফলে আমাদের বসতঘর ও তার আশপাশ ডুবে গেছে। আমরা পানিবন্দি জীবনযাপন করছি। তবে ভোর রাত থেকে বৃষ্টি নাই তাই স্বস্তি লাগছে। আল্লাহ যেন আমাদের রক্ষা করেন। ২৪ সালের বন্যায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জের চরফকিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, আমাদের এদিকে ২৪ সালের বন্যার থেকেও বেশি পানি হয়েছে। অনেকের বসতঘর ডুবে গেছে, বাতাসে পড়ে গেছে। বেশিরভাগ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ  বলেন, আমাদের প্রায় ৯ হাজার স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০১টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। ৫০০ টন চাল, ২৭৮০ প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া নগদ ১৮ লাখ টাকা রয়েছে। জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাসের ভেতরেই হেলপারের মৃত্যু, ময়নাতদন্তে কারণ জানার অপেক্ষা

নোয়াখালীতে পানিবন্দি ৬৪ হাজার পরিবার, প্রস্তুত ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র

প্রকাশিত : ১০:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

নোয়াখালীতে টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৬৩ হাজার ৮৬০টি পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তবে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ভোর থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে।

ইতোমধ্যে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৬৮ পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি পানিতে ডুবে গেছে গ্রামের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠ।

সদর উপজেলার বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, ভারী বর্ষণের ফলে আমাদের বসতঘর ও তার আশপাশ ডুবে গেছে। আমরা পানিবন্দি জীবনযাপন করছি। তবে ভোর রাত থেকে বৃষ্টি নাই তাই স্বস্তি লাগছে। আল্লাহ যেন আমাদের রক্ষা করেন। ২৪ সালের বন্যায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জের চরফকিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, আমাদের এদিকে ২৪ সালের বন্যার থেকেও বেশি পানি হয়েছে। অনেকের বসতঘর ডুবে গেছে, বাতাসে পড়ে গেছে। বেশিরভাগ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ  বলেন, আমাদের প্রায় ৯ হাজার স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০১টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। ৫০০ টন চাল, ২৭৮০ প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া নগদ ১৮ লাখ টাকা রয়েছে। জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

ডিএস./