১০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশি নাগরিক পাচারকারী সিন্ডিকেট ধ্বংসে তৎপর মালেশিয়ান পুলিশ

বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসী (পিএটিআই) পাচারের সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে ধ্বংস করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মনিটরিং কন্ট্রোল ও এনফোর্সমেন্ট ইউনিট (ইউপিকেপি), সারাওয়াক।

গত সোমবার দেশটির কুচিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেআইএ) নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়। কুয়ালালামপুর থেকে আগত একটি বিমানে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে পৌঁছানোর পরপরই ১৫ জন বাংলাদেশিকে আটক করে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা।

প্রাথমিক যাচাইয়ে দেখা গেছে, তাদের কারোরই ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে বৈধ প্রবেশের কোনো তথ্য নেই। পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জাল ইমিগ্রেশন সীলের ব্যবহারও শনাক্ত করা হয়েছে, যা মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সত্যতা আড়াল করতে ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রতিজন পিএটিআই ব্যক্তি মালয়েশিয়ায় চোরাইপথে প্রবেশের জন্য পাচারকারী চক্রকে ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার রিংগিত পর্যন্ত অর্থ দিয়েছে।

আটককৃত সবাইকে বর্তমানে সেমুজা ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের অধীনে তদন্ত চলছে।

ডিএস..

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দোহাজারী নাগরিক কমিটির অভিষেক ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশি নাগরিক পাচারকারী সিন্ডিকেট ধ্বংসে তৎপর মালেশিয়ান পুলিশ

প্রকাশিত : ০৯:৫৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসী (পিএটিআই) পাচারের সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে ধ্বংস করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মনিটরিং কন্ট্রোল ও এনফোর্সমেন্ট ইউনিট (ইউপিকেপি), সারাওয়াক।

গত সোমবার দেশটির কুচিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেআইএ) নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়। কুয়ালালামপুর থেকে আগত একটি বিমানে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে পৌঁছানোর পরপরই ১৫ জন বাংলাদেশিকে আটক করে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা।

প্রাথমিক যাচাইয়ে দেখা গেছে, তাদের কারোরই ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে বৈধ প্রবেশের কোনো তথ্য নেই। পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জাল ইমিগ্রেশন সীলের ব্যবহারও শনাক্ত করা হয়েছে, যা মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সত্যতা আড়াল করতে ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রতিজন পিএটিআই ব্যক্তি মালয়েশিয়ায় চোরাইপথে প্রবেশের জন্য পাচারকারী চক্রকে ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার রিংগিত পর্যন্ত অর্থ দিয়েছে।

আটককৃত সবাইকে বর্তমানে সেমুজা ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের অধীনে তদন্ত চলছে।

ডিএস..