জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলামে মৃত্যু নৌকা ডুবে হয়েছে বলে দাবি বুড়িগঙ্গা মাঝিদের।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আরিফ গত সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগর ইস্পাহানী এলাকার মেস থেকে বের হন।
উদ্দেশ্য ছিল রাজধানীর সূত্রাপুর থানার লক্ষ্মীবাজার এলাকায় টিউশনি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। দুই দিন পর গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকার শ্যামপুর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকে নৌপুলিশ আরিফুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে।
তবে পূর্বে তার সঙ্গে কারোর তেমন শত্রুতা ছিল না।
অনুসন্ধান করে আরো জানা যায়,কয়েক দিন আগে একটি নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটছে, আর সেই নৌকায় আরিফুল ইসলাম ছিল বলে দাবি মাঝিদের।
অন্যদিক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলামের সহপাঠী সুমাইয়ার দিকে সন্দেহের তীর ছুড়ে মারলেও এই সন্দেহের ব্যাপারে কোন সত্যতা পায়নি বলে জানান কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরুক্ত পুলিশ সুপার রামানন্দ সরকার ।তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আরিফুলের মরাদেহে তেমন কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় নি। সে সাঁতার জানত না। তাছাড়া স্থানীয় কয়েকজন মাঝি মাল্লা কয়েক দিন আগে একটি নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটছে,নৌকাটি কার বা মাঝি কে ছিল বা তাতে কতজন যাত্রীছিল তা স্পষ্ট করে কেউ কিছু বলতে পারে না। তার মরাদেহের ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে প্রকৃত নিহতের কারণ জানা সম্ভব হবে বলে পুলিশ জানায়।
অারিফের ভাই রাশেদ জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি চয়াডাঙ্গার জীবননগরে। তার ভাই কেরানীগঞ্জের একটি ভাড়া বাসায় থাকে। প্রতিদিন নৌকায় পারাপার হয়ে ক্লাস করে। অারিফ সাতার জানে না বলে তিনি জানান।
এব্যাপারে জবি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী বলেন, আরিফ অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলতে পারছি না।
অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরিফুলকে কোটাসংস্কার আন্দোলনকারী বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভ্রন্ত। সে কখনও এর সাথে জড়িত ছিল না। বিভাগ থেকে মিলাদ মাহফিল ও শোকসভার আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।


























