নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির শীর্ষ নেতা জাহিদুল ইসলাম মিজান ওরফে বোমারু মিজানকে গ্রেফতার করেছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা-এনআইএ। সোমবার ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের এক গোপন আস্তানা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
সংস্থাটির এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয় বলে মঙ্গলবার দুপুরে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে টাইমস অব ইনডিয়া। পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় হামলার আসামি হিসেবে মিজানকে ধরতে ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ভারত সরকার।
পরে ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বর্ধমান শহরের খাগড়াগড়ের একটি দোতলা বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দুই জঙ্গি নিহত এবং একজন আহত হন।
এই ঘটনার পর ভারতীয় সংস্থা এনআইএ জানতে পারে, খাগড়াগড়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণের অন্যতম হোতা বোমারু মিজান। তিনি পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান নিয়ে জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পরে খাগড়াগড় মামলার আসামি হিসেবে বোমারু মিজানকে ধরতে ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংয়ের ত্রিশালে প্রিজন ভ্যানে বোমা মেরে ও গুলি করে আরও দুই জঙ্গির সঙ্গে বোমারু মিজানকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরা হলেন সালাউদ্দিন সালেহীন ওরফে সানি এবং হাফেজ মাহমুদ ওরফে রাকিব হাসান। মিজান ছিলেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত।
এর মধ্যে হাফেজ মাহমুদকে ওই দিন দুপুরেই টাঙ্গাইলে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করে পুলিশ। পরে গভীর রাতে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন তিনি। অন্যদিকে বোমারু মিজান ও সালেহীনের আর খুজেঁ পাওয়া যায়নি।
এর আগে ২০০৯ সালের ১৫ মে কাফরুলের তালতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে বোমারু মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। বোমা মিজানকে সঙ্গে নিয়ে তার মিরপুরের বাসায় যায় র্যাব। তখন বাসার ভেতরে থাকা বোমারু মিজানের স্ত্রী হালিমা র্যাবকে লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটান।
পরে ওই বাসা থেকে বোমা ও বিস্ফোরকসহ হালিমাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এ ঘটনায় মিজান ও তার স্ত্রীকে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
























