অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের ভূমি অধিগ্রহণসহ ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি- একনেক।
মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় ৬ হাজার ৪৪৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প সম্পর্কে ব্রিফ করেন।
প্রকল্প সূত্রে জানা জানা গেছে, দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে পর্যটন খাতে বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও তা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এর পেছনে যে কয়েকটি কারণ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যোগাযোগ অবকাঠামোর নাজুকতা।
এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তার অংশ হিসেবে নেয়াখালীর নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়া, ভাসানচর এবং স্বর্ণদ্বীপে পর্যটক টানতে সড়ক উন্নয়ন করা হচ্ছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নোয়াখালীর কেন্দ্রস্থল সোনাপুর হতে চেয়ারম্যানঘাট হয়ে দ্বীপ এলাকা হাতিয়া, ভাসানচর এবং স্বর্ণদ্বীপে যাওয়ার জন্য দ্রুত ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতকরণ হবে। এছাড়া দুর্ঘটনা কমানো, দ্রুত যান চলাচল, মালামাল পরিবহন বৃদ্ধি এবং প্রকল্প এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।
একনেক সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর চলতি বছর থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের আওতায় সোনাপুর থেকে শুরু হয়ে মান্নানগর-চরজব্বার হয়ে হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন হবে; যার দৈর্ঘ্য ৪৩ কিলোমিটার ও প্রস্থ ৫.৫ মিটার।
নোয়াখালীর সঙ্গে দ্বীপ এলাকা হাতিয়া, ভাসানচর, স্বর্ণদ্বীপে যাতায়াতের জন্য একমাত্র সড়ক পথ সোনাপুর হতে চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়নে প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে। হাতিয়া বিচ্ছিন্ন দ্বীপ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে নিঝুমদ্বীপ পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান হওয়ার কারণে প্রতিবছর প্রচুর পর্যটক এই সড়ক পথে চলাচল করেন।
প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম গুলো হচ্ছে, ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬৮৬ ঘন মিটার সড়ক বাঁধ প্রশস্তকরণ, ৪২ হাজার ৯৪৪ কিলোমিটার পেভমেন্ট প্রশস্তকরণ, ৪২ হাজার ৯৪৪ কিলোমিটার পেভমেন্ট মজবুতীকরণ, ৫৬ মিটার কালর্ভাট নির্মাণ, ১ হাজার ৬৮৫ মিটার ব্রিক মেশনারি টো-ওয়াল, ২ হাজার ৮৪২ মিটার আরসিসি প্লেট প্যালাসাইডিং এবং ৫ হাজার ৫৮০ মিটার সসার ড্রেন নির্মাণ করা হবে।
























