দক্ষিণ চট্টগ্রামে সূর্যহীন দিনে বেড়েছে শীতের তীব্রতা কনকনে ঠান্ডায় ঘরবন্দি অনেক কর্মজীবী মানুষ।শীতের তীব্রতায় স্থবির হয়ে পড়েছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের জনজীবন।
৫ জানুয়ারি সোমবার দুপুর ১টা গড়িয়ে গেলেও আকাশে সূর্যের দেখা মেলেনি।
ঘন কুয়াশা ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারাদিনই শীতের প্রকোপ অনুভূত হচ্ছে।
দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে একটুখানি উঁকি মেরে আবার হারিয়ে যায় সূর্য ।
আবহাওয়া অফিস জানায়, চট্টগ্রামে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমে তুলনামূলকভাবে কম। শীতের সঙ্গে হালকা বাতাস থাকায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।
এদিকে সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে, যেখানে পারদ নেমেছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ—উভয় অঞ্চলেই শীতের তীব্রতা বিরাজ করছে।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, পটিয়া , চন্দনাইশ ও বাঁশখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় সকালে ঘন কুয়াশার কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবীরা। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সর্দি, কাশি ও জ্বরে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে রাত ও ভোরে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে কুয়াশা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।শীত মোকাবিলায় বিশেষ করে দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
ডিএস./




















