অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আব্দুল্লাহ আল রাহিম (৩০) ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন যাবত রাজধানী ঢাকায় মাদক ব্যবসাসহ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও ছিনতাই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এরূপ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আব্দুল্লাহ আল রাহিম এর কার্যক্রম এবং গতিবিধির উপর গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।
বেশ কিছুদিন প্রযুক্তিগত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং মাঠ পর্যায়ে তথ্য পর্যালোচনা করে জানা যায় যে, আটককৃত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আব্দুল্লাহ আল রাহিম এর বিরুদ্ধে রাজধানীর বাড্ডা থানায় চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে। আটককৃত আসামী আব্দুল্লাহ আল রাহিম খিলক্ষেত এবং বাড্ডা থানা এলাকায় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।
র্যাব-১ এর আভিযানিক দল বিষয়টি আমলে নিয়ে সন্ত্রাসী আব্দুল্লাহ আল রাহিম ও তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার জন্য গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখ সকাল ০৬.৫০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১ এর আভিযানিক দল জানতে পারে যে, আটককৃত আব্দুল্লাহ আল রাহিম রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-২ এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে র্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত থানাধীন বাসা নং-৯, রোড নং- ১৯, নিকুঞ্জ-২ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০১টি বিদেশী পিস্তল (৭.৬২ মিমি), ০৮ রাউন্ড এ্যামোনেশন (গুলি), ০১ টি ম্যাগাজিন, ০১ টি ডিভিআর ও ০১ টি মোবাইল ফোনসহ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আব্দুল্লাহ আল রাহিমকে গ্রেফতার করে।
আটককৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত অস্ত্রটি তার নিজের বলে স্বীকার করে। ধৃত আসামী অস্ত্রের মাধ্যমে খিলক্ষেত থানা এলাকায় লোকজনকে ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড করিয়া থাকে।
ধৃত আসামীর দখল ও নিয়ন্ত্রন হতে উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের বৈধতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বৈধতার স্বপক্ষে কোন লাইসেন্স দেখানো বা কোন সদুত্তর দিতে পারে নাই। ধৃত আসামী এক ও অভিন্ন উদ্দেশ্যে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের দখল ও নিয়ন্ত্রণে রেখে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধ সংঘটন করে জনমনে ভীতি সঞ্চার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। জনস্বার্থে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটেলিয়ন ভবিষ্যতে এহেন অভিযান অব্যাহত রাখবে।
ডিএস./



















