তারেক রহমানের ঢাকার বাইরে প্রথম সফর রোববার টাঙ্গাইলে যাওয়ার কথা রয়েছে। তার আগমন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে ব্যাপক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তারেক রহমানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মী থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে সিএসএফ, জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা টাঙ্গাইলের সন্তোষের মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার, সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান আগামী ১১ জানুয়ারি বগুড়ায় যাওয়ার পথে প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইলে আসছেন। তিনি মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। এটি তাঁর টাঙ্গাইলে প্রথম সফর। আমরা সৌভাগ্যবান যে তাঁর রাজনৈতিক সফরের সূচনা হচ্ছে টাঙ্গাইল থেকে এবং তা আবার ভাসানীর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে।
টুকু বলেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে দল-মত নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশের মির্জাপুর এলাকা থেকেই তাঁকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে টাঙ্গাইলবাসী তাঁকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর আগমনকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করছে। রাজনৈতিকভাবে এই দিনটি টাঙ্গাইলের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকবে। বিশেষ করে টাঙ্গাইল সদরবাসীর মধ্যে ঈদের মতো আনন্দ অনুভূত হচ্ছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন তারেক রহমান যে বক্তব্য দিয়েছেন- আগামীর বাংলাদেশে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে প্রত্যয় তিনি ব্যক্ত করেছেন তা মানুষের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি করেছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম তাঁর ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়েছে। তারেক রহমানের আগমন ও দোয়া মাহফিল সফল করতে দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডিএস./



















