ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান পটেনশিয়াল সাসটেইনেবিলিটি (ডপস) এর উদ্যোগে শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ডপস জুনিয়র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা–২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি)থেকে এ পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়ে ১০ জানুয়ারি শনিবার লিখিত পরীক্ষা পর্ব শেষ হয়। এ পরীক্ষায় নালিতাবাড়ী উপজেলার ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৮৯ জন, নকলা উপজেলার ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫৮ জন, শ্রীবরদী উপজেলার ৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২১০ জন, ঝিনাইগাতী উপজেলার ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০৩ জন এবং শেরপুর সদর উপজেলার ৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৮৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সব মিলিয়ে জেলার মোট ১৭৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১,০৪৮ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়।
মেধাবৃত্তি পরীক্ষার প্রথম ধাপে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা পরবর্তী ধাপে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে। এরপর মৌখিক পরীক্ষা শেষে তাদের পারিবারিক আর্থিক অবস্থা যাচাই করে চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ডপস কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য যে, জীবনকে সুন্দর, আলোকিত ও অর্থবহ করে গড়ে তুলতে সুশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। একটি মানবিক, নৈতিক ও সুশিক্ষিত জাতি গঠনের লক্ষ্যে এক যুগেরও অধিক সময় ধরে বিশিষ্ট সেবা পদক ও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডপস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ডপস এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৯৩৫ জন। এদের মধ্যে ১৬৭ জন শিক্ষার্থী সংগঠনটির সার্বিক সহযোগিতায় বর্তমানে মেডিকেল কলেজ, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত রয়েছে।
উল্লেখ্য, জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অনেক অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা ও সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে এসএসসি পরীক্ষার পূর্বেই শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ে। ডপস জুনিয়র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা–২০২৬ এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় শিক্ষা সহায়তা প্রদান, তাদের মেধার সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করা এবং উচ্চশিক্ষার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়াই ডপস-এর মূল লক্ষ্য।
ডিএস./




















