০৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

সোনারগাঁয়ে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব: নতুন প্রজন্মের মাঝে গ্রামবাংলার সংস্কৃতি পুনরুজ্জীবনের প্রয়াস

আবহমান বাংলার শীতকালীন ঐতিহ্যের অন্যতম অনুষঙ্গ পিঠাপুলি। সময়ের ব্যবধানে আধুনিকতার ছোঁয়া ও ফাস্টফুডের আগ্রাসনে এই ঐতিহ্য অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই হারিয়ে যেতে বসা গ্রামবাংলার সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সোনারগাঁ এস আর স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক শাহ আলী ও প্রভাষক মো. রফিকুল ইসলাম।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. জহিরুল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডীন মো. আলী হাসান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আল আমিন দীপু, সিনিয়র শিক্ষক রাবেয়া ফেরদৌসী, নূরজাহান চৈতীসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

উৎসবে শিক্ষার্থীরা দেশীয় নানা ধরনের বাহারি পিঠা নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে। প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের রসের পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোলাপ ফুল পিঠা, রস পিঠা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ছিট পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, সেমাই পিঠা, নকশি পিঠা, নারকেল পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি, দুধরাজ, ফুলঝুরি পিঠাসহ আরও নানা রকম ঐতিহ্যবাহী পিঠা।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক শাহ আলী বলেন,“শিক্ষার্থীদের দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতেই এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।”

উৎসবকে ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। আয়োজকদের আশা, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের মাঝে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ’২৬ এ রাজারহাটে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অধ্যক্ষ প্রধান শিক্ষক শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত

সোনারগাঁয়ে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব: নতুন প্রজন্মের মাঝে গ্রামবাংলার সংস্কৃতি পুনরুজ্জীবনের প্রয়াস

প্রকাশিত : ০৩:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আবহমান বাংলার শীতকালীন ঐতিহ্যের অন্যতম অনুষঙ্গ পিঠাপুলি। সময়ের ব্যবধানে আধুনিকতার ছোঁয়া ও ফাস্টফুডের আগ্রাসনে এই ঐতিহ্য অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই হারিয়ে যেতে বসা গ্রামবাংলার সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সোনারগাঁ এস আর স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক শাহ আলী ও প্রভাষক মো. রফিকুল ইসলাম।প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. জহিরুল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডীন মো. আলী হাসান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আল আমিন দীপু, সিনিয়র শিক্ষক রাবেয়া ফেরদৌসী, নূরজাহান চৈতীসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

উৎসবে শিক্ষার্থীরা দেশীয় নানা ধরনের বাহারি পিঠা নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে। প্রদর্শিত পিঠার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের রসের পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোলাপ ফুল পিঠা, রস পিঠা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ছিট পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, সেমাই পিঠা, নকশি পিঠা, নারকেল পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি, দুধরাজ, ফুলঝুরি পিঠাসহ আরও নানা রকম ঐতিহ্যবাহী পিঠা।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক শাহ আলী বলেন,“শিক্ষার্থীদের দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতেই এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।”

উৎসবকে ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। আয়োজকদের আশা, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের মাঝে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডিএস./