দেশজুড়ে এক হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি দ্রুতই শুরু হবে। খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব, যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন। খাল খনন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে অন্যতম। ইতোমধ্যে একাধিক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার মাধ্যমে ১৮০ দিনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। খাল খননের দৃশ্যমান কর্মযজ্ঞ শুরু হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। সোমবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার চাপিলা পাড়ায় জিয়াউর রহমানের খনন করা চৌক্কার খাল পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। আমাদের নির্বাচনি ওয়াদা ছিল পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখনন করব। আমরা শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে কাজে নেমে পড়েছি। এটা হলো প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন। তার আদর্শের ভিত্তিতে আমরা যারা নির্বাচিত হয়েছি, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা জনগণের পাশে থাকবো।
এ সময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সরকার গঠনের পর দৃশ্যমান কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে দেশবাসী এ বিষয়ে অবহিত। আমাদের লক্ষ্য সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এই দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া এবং সুন্দরভাবে গড়া।
চৌক্কার খাল পরিদর্শনের পর মন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা লবলং খাল ও টঙ্গীতে গাঁছা খাল পরিদর্শন করে দেখেন। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা খালের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখল ও ময়লা ফেলার অভিযোগ তুলে ধরেন। মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এসময় পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার আজিম আহমেদ, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. আলম হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন, মন্ত্রীর একান্ত সচিব মাসুম রেজা এবং শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ। এ ছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
ডিএস,














