দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পাওয়ার পর দশ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাঁশখালী সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহারকারী এলডিপির প্রার্থী এডভোকেট কফিল উদ্দীন চৌধুরীর সঙ্গে ২১ জানুয়ারি (বুধবার) সাক্ষাৎ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ও দশ দল সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম।
বাঁশখালী আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দশ দলীয় জোটের ঐক্য ও সমন্বয়ের অংশ হিসেবে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে দশ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং নির্বাচনী মাঠে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর এডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী এবং জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক উপস্থিত ছিলেন। তারা জোটগত রাজনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বাঁশখালী আসনে দশ দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।
সাক্ষাৎকালে এডভোকেট কফিল উদ্দীন চৌধুরী জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, দশ দলীয় জোটের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন এবং বাঁশখালী আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, “দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে দশ দলীয় জোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।” এ সময় তিনি বাঁশখালীর সর্বস্তরের জনগণের প্রতি দশ দলীয় জোটের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এডভোকেট কফিল উদ্দীন চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, এই ঐক্যই আগামী দিনে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি দশ দলীয় জোটের সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাঁশখালীতে বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিএস






















