০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে ভবিষ্যৎ ভোটের মানদণ্ড

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১০:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • 11

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সকল ভোটের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৈঠককালে নির্বাচন ছাড়াও শ্রম আইন, পরিকল্পিত শুল্ক চুক্তি এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়।

অধ্যাপক ইউনূস জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য অংশীদারদের উপস্থিতি আশা করছে ঢাকা। সরকার ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন গত ১৮ মাসে সংস্কার কাজে সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং নির্বাচনের পর জয়ী দলের সাথে কাজ করার আগ্রহ জানান।

এছাড়া, সার্ক পুনরুজ্জীবিত করা এবং আসিয়ান সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন আসলাম চৌধুরী

মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে ভবিষ্যৎ ভোটের মানদণ্ড

প্রকাশিত : ১০:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সকল ভোটের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৈঠককালে নির্বাচন ছাড়াও শ্রম আইন, পরিকল্পিত শুল্ক চুক্তি এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়।

অধ্যাপক ইউনূস জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য অংশীদারদের উপস্থিতি আশা করছে ঢাকা। সরকার ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন গত ১৮ মাসে সংস্কার কাজে সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং নির্বাচনের পর জয়ী দলের সাথে কাজ করার আগ্রহ জানান।

এছাড়া, সার্ক পুনরুজ্জীবিত করা এবং আসিয়ান সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

ডিএস./