০৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির ভূমিধস জয় উদযাপনে রেল শ্রমিক দলের কর্মসূচি

দ্বাদশ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয় উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দল সিসিএস পাহাড়তলী শাখার উদ্যোগে গেইট মিটিং, আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সকল ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও ভোটারদের সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানানো হয়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) সকাল ১০টায় শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। গেইট মিটিংয়ে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দলের বিভাগীয় সমন্বয়ক মো. জিয়াউর রহমান। সভাপতিত্ব করেন তেল শ্রমিক দল সিসিএস পাহাড়তলী শাখার সভাপতি মো. আমিরুজ্জামান আমির।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাইদুর রহমান তপু, কার্যকরী সভাপতি মো. আতিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আল রাব্বি ও মাইনুল ইসলাম রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান আবির, দপ্তর সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রদল নেতা ও রেল শ্রমিক দলের সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ রনি, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. সোহাগ, মো. হৃদয়, অহিদুল্লাহ মিরাজ, মোরশেদুল আলম খান বাদল, নজরুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম মনিরসহ বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা। এছাড়া ডিপো শাখার সভাপতি মো. আবু তালেব এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রওশন সুলতানা রুবি, নুরজাহান আক্তার বেবি, সারজিনা আক্তার, কুলসুম জামান, আয়েশা সিদ্দিকা, মোরশেদা আক্তার লাবনী, মুনমুন, কামরুন নাহার, উম্মে আমরিন আক্তার, সুইট সুলতানা, জোসনা আক্তার, ফাতেমা বেগমসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গেইট মিটিংয়ে মো. কামাল হোসেন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৈষম্যহীন প্রশাসন ও কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা হবে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণআন্দোলনের লক্ষ্য ছিল বৈষম্য দূর করা—সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় ধরে রাখতে প্রতিহিংসা ভুলে সরকারকে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রমিক-কর্মচারীরা হতাশ হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শ্রমিকবান্ধব ও বৈষম্যহীন নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

প্রধান বক্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও কর্মক্ষেত্রে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে জাতীয় উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে তিনি রেলওয়ের নিয়োগবিধি-২০২০ সংশোধন করে শ্রমিকবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

অনুষ্ঠান শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মাওলানা মো. সহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশের শান্তি ও উন্নতি কামনা করা হয়।

গেইট মিটিংয়ে উপস্থিত নেতারা আশা প্রকাশ করেন, শ্রমিক-কর্মচারীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে রেলওয়ের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং ঐক্যবদ্ধ কর্মপরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিএনপির ভূমিধস জয় উদযাপনে রেল শ্রমিক দলের কর্মসূচি

বিএনপির ভূমিধস জয় উদযাপনে রেল শ্রমিক দলের কর্মসূচি

প্রকাশিত : ০৫:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দ্বাদশ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয় উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দল সিসিএস পাহাড়তলী শাখার উদ্যোগে গেইট মিটিং, আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সকল ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও ভোটারদের সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানানো হয়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) সকাল ১০টায় শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। গেইট মিটিংয়ে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দলের বিভাগীয় সমন্বয়ক মো. জিয়াউর রহমান। সভাপতিত্ব করেন তেল শ্রমিক দল সিসিএস পাহাড়তলী শাখার সভাপতি মো. আমিরুজ্জামান আমির।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাইদুর রহমান তপু, কার্যকরী সভাপতি মো. আতিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আল রাব্বি ও মাইনুল ইসলাম রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান আবির, দপ্তর সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রদল নেতা ও রেল শ্রমিক দলের সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ রনি, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. সোহাগ, মো. হৃদয়, অহিদুল্লাহ মিরাজ, মোরশেদুল আলম খান বাদল, নজরুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম মনিরসহ বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা। এছাড়া ডিপো শাখার সভাপতি মো. আবু তালেব এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রওশন সুলতানা রুবি, নুরজাহান আক্তার বেবি, সারজিনা আক্তার, কুলসুম জামান, আয়েশা সিদ্দিকা, মোরশেদা আক্তার লাবনী, মুনমুন, কামরুন নাহার, উম্মে আমরিন আক্তার, সুইট সুলতানা, জোসনা আক্তার, ফাতেমা বেগমসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গেইট মিটিংয়ে মো. কামাল হোসেন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৈষম্যহীন প্রশাসন ও কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা হবে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণআন্দোলনের লক্ষ্য ছিল বৈষম্য দূর করা—সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় ধরে রাখতে প্রতিহিংসা ভুলে সরকারকে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রমিক-কর্মচারীরা হতাশ হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শ্রমিকবান্ধব ও বৈষম্যহীন নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

প্রধান বক্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও কর্মক্ষেত্রে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে জাতীয় উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে তিনি রেলওয়ের নিয়োগবিধি-২০২০ সংশোধন করে শ্রমিকবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

অনুষ্ঠান শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মাওলানা মো. সহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশের শান্তি ও উন্নতি কামনা করা হয়।

গেইট মিটিংয়ে উপস্থিত নেতারা আশা প্রকাশ করেন, শ্রমিক-কর্মচারীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে রেলওয়ের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং ঐক্যবদ্ধ কর্মপরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

ডিএস./