০৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বেনাপোল ট্রাজেডির ১২ বছর: বিষাদময় ১৫ ফেব্রুয়ারি আজ

১৫ ফেব্রুয়ারি, বেনাপোল ট্রাজেডির ১২ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৪ সালের এই দিনে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়–এর ৯ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী। এক যুগ পেরিয়ে গেলেও সীমান্ত শহর বেনাপোলে সেই শোক আজও অম্লান।

২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফর শেষে মেহেরপুরের মুজিবনগর থেকে বাসে করে ফিরছিল। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে চৌগাছা-মহেশপুর সড়কের ঝাউতলা কাঁদবিলা এলাকায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৯ শিক্ষার্থী মারা যায়। আহত হয় অন্তত ৮০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।

নিহতরা তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তাদের মৃত্যুতে পুরো বেনাপোল শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে। এক শোকার্ত অভিভাবক বলেন, “সন্তান হারানোর শূন্যতা কোনোদিন পূরণ হওয়ার নয়।”

প্রতি বছর বিদ্যালয়ে শোকসভা, মিলাদ মাহফিল ও স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের আয়োজন করা হলেও এ বছর তেমন কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে আয়োজন সীমিত ছিল।

এদিকে বেনাপোল পৌরসভার নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটি বর্তমানে অযত্ন-অবহেলায় রয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। শহীদ শিশুদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কার ও নিয়মিত পরিচর্যার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

১৫ ফেব্রুয়ারি তাই শুধু একটি তারিখ নয়, এটি বেনাপোলবাসীর হৃদয়ে চিরস্থায়ী এক বেদনার দিন।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিএনপির ভূমিধস জয় উদযাপনে রেল শ্রমিক দলের কর্মসূচি

বেনাপোল ট্রাজেডির ১২ বছর: বিষাদময় ১৫ ফেব্রুয়ারি আজ

প্রকাশিত : ০৫:০৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৫ ফেব্রুয়ারি, বেনাপোল ট্রাজেডির ১২ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৪ সালের এই দিনে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়–এর ৯ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী। এক যুগ পেরিয়ে গেলেও সীমান্ত শহর বেনাপোলে সেই শোক আজও অম্লান।

২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফর শেষে মেহেরপুরের মুজিবনগর থেকে বাসে করে ফিরছিল। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে চৌগাছা-মহেশপুর সড়কের ঝাউতলা কাঁদবিলা এলাকায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৯ শিক্ষার্থী মারা যায়। আহত হয় অন্তত ৮০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।

নিহতরা তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তাদের মৃত্যুতে পুরো বেনাপোল শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে। এক শোকার্ত অভিভাবক বলেন, “সন্তান হারানোর শূন্যতা কোনোদিন পূরণ হওয়ার নয়।”

প্রতি বছর বিদ্যালয়ে শোকসভা, মিলাদ মাহফিল ও স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের আয়োজন করা হলেও এ বছর তেমন কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে আয়োজন সীমিত ছিল।

এদিকে বেনাপোল পৌরসভার নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটি বর্তমানে অযত্ন-অবহেলায় রয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। শহীদ শিশুদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কার ও নিয়মিত পরিচর্যার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

১৫ ফেব্রুয়ারি তাই শুধু একটি তারিখ নয়, এটি বেনাপোলবাসীর হৃদয়ে চিরস্থায়ী এক বেদনার দিন।

ডিএস./